ইলিশ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করলে কঠোর ব্যবস্থা --------- মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২১, ২২:৩৩

ইত্তেফাক রিপোর্ট

অবৈধ মত্স্য আহরণে যে ট্রলারগুলো পাওয়া যায় সেগুলো সাধারণ মত্স্যজীবীদের নয়, তা ধনী অসাধু কিছু ব্যক্তির বলে জানিয়েছেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, এই অসাধু ব্যক্তিরা সমাজ ও দেশের শক্র। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল সোমবার জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, অনেক সময় বিষাক্ত দ্রব্য নির্গমন, অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে না। এভাবে নানা রকম ক্ষতিকর ভূমিকায় বিভিন্ন সেক্টরের অসাধু ব্যক্তিরা সম্পৃক্ত রয়েছে। দেশের মত্স্য সম্পদের যারা শত্রু তাদের ব্যাপারে কোনো তদবির শোনা হবে না। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় সমপ্রতি নেওয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করা হবে।

মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মত্স্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, জাটকা সম্পৃক্ত ছয়টি জেলা বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্টরা ভার্চুয়ালি অংশ নেন।