আজ মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় দফায় ৩১ আসনে ভোটগ্রহণ। বিক্ষিপ্ত সহিংসতা, সংঘর্ষের মাধ্যমে শক্তি যাচাই করছে তৃণমূল, বিজেপি। কোথাও কোথাও আবার তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষ হচ্ছে সিপিএমের শরিক দল আইএসএফের। এরই মধ্যে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হুগলির চুঁচুড়ায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, কোভিড বাড়ছে বলে বিজেপি এখন নির্বাচন বন্ধ করতে চাইবে।?
তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি ও হাওড়া জেলায়। গত কয়েক দিন ধরেই এই তিন জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচারকে কেন্দ্র করে বিজেপি, তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে আইএসএফ সমর্থকদের। উত্তর চব্বিশ পরগনার দুই জায়গায় বিজেপি সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভার কৈখালী চিড়িয়া মোড় এলাকায় এবং বিধাননগর বিধানসভার লেকটাউন এলাকায় বিজেপির নির্বাচনি কার্যালয়ে ও বিজেপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। উত্তর চব্বিশ পরগনার হাড়োয়ায় আইএসএফ প্রার্থীকে কালো পতাকা, জুতা, ঝাঁটা দেখানো হয়। দুটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ—তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জীবনতলায় তৃণমূল সমর্থক এবং আধাসেনার মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
চুঁচুড়ায় মমতা বলেন, ‘?কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে বলে বিজেপি এখন নির্বাচন বন্ধ করতে চাইবে।? এই চালাকি চলবে না, নির্বাচন যখন শুরু হয়েছে, তখন শেষ করতে হবে। কেন আট দফায় পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন করা হচ্ছে? দুই দফাতেই নির্বাচন হয়ে যেত। কী চায় বিজেপি?’? ভাঙড়ে অন্য একটি নির্বাচনি সভায় মমতা বলেন, আমি পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি (?নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন)? হতে দিইনি। আমি আছি বলে হিন্দুরা ভালো আছে, মুসলিমরা ভালো আছে। আমি না থাকলে কেউ ভালো থাকবে না।’?
এদিকে, বীরভূমের এক পথসভা থেকে পাকিস্তানপন্থিদের এনকাউন্টার করা হবে—এমন মন্তব্যের জেরে বিজেপি নেতা ধ্রুব সাহাকে শোকজ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। কয়েক দিন আগে বীরভূমের নানুরের তৃণমূল নেতা শেখ আলম বাসাপাড়ায় ভারতের ৩০ শতাংশ মুসলিমকে নিয়ে চারটি পাকিস্তান গড়ার কথা বলেছিলেন বলে অভিযোগ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই ধ্রুব সাহার ঐ মন্তব্য।
