ব্যবসায়ের সক্ষমতা বাড়াতে রোবোটিক প্রসেস অটোমেশন জরুরি

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২১, ২০:৪৭

সারা বিশ্ব যখন কোভিড-১৯ মহামারিতে আয়ব্যয়ের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন দূরদর্শী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তর করার জন্য অত্যাধুনিক রোবোটিক প্রসেস অটোমেশন বা আরপিএ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বাংলাদেশের মতো ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বাজারে রোবোটিক প্রসেস অটোমেশন (আরপিএ) বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কোভিডকালীন অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তার প্রভাবকে মোকাবিলা করতে ব্যবসায়ের বৃদ্ধি সক্ষম করতে বাংলাদেশের এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিকে গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গতকাল বৃহস্পতিবার ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্টস অফ বাংলাদেশ (আইসিএবি) আয়োজিত ‘ট্রান্সফর্মিং ফাইনান্স অ্যান্ড একাউন্টিং উইথ রোবোটিক প্রসেস অটোমেশন’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারে তারা এই মতামত দেন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, এমপি। ইউআইপাথ থেকে সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে অংশ নেন ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া বিজনেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনসুমান রাই, ইপিএস গ্লোবাল সার্ভিসেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিশ্চিয়ান এসমাইজার এবং ফিনান্স অ্যান্ড অ্যাকাউনটিং-ইন্ডাস্ট্রি প্র্যাকটিস লিডার অরুন প্রসাদ রাম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইসিএবির প্রসিডেন্ট মাহমুদ-উল হাসান খসরু, এফসিএ। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন আইসিএবি সাবেক প্রেসিডেন্ট দেওয়ান নুরুল ইসলাম এফসিএ। বক্তারা বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক কাজে প্রযুক্তির ভূমিকা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান রেগুলেটরি নিয়মকানুনের পরিবর্তন ও কমপ্লায়েন্স ফাংশনের কারণে কর্মীদের কাজের গতি দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে, তাই কমপ্লায়েন্স ফাংশন পরিচালনা করতে প্রতিষ্ঠানগুলো রোবোটিক প্রসেস অটোমেশনকে গ্রহণ করছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, বিশ্ব ক্রমবর্ধমান ডেটা এবং প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। প্রযুক্তিটি যে দ্রুত গতিতে বিকাশ লাভ করছে, সেখান থেকে ফিন্যান্স এবং অ্যাকাউনটিং পেশাদারদের উপস্থাপিত সুযোগগুলো পুঁজি করার উপায় আবিষ্কার করতে হবে। তিনি বলেন, কোভিড মহামারির সময়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কার্য সম্পাদনে আমাদের ডিজিটাল-নির্ভর অন্তর্ভুক্তি আরো বাড়াবে। গ্র্যান্ড ভিউ রিসার্চের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মূল প্রবন্ধে বলা হয়—বিশ্বে রোবোটিক প্রক্রিয়ার অটোমেশন বাজারের আকার ২০২২ সালের মধ্যে ১ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছবে।