বিড়ম্বনায় সাধারণ যাত্রীরা
মো. আমিরুজ্জামান, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে চলমান লকডাউন পরিস্থিতিকে পুঁজি করে নীলফামারীর সৈয়দপুরে রিকশা ও অটোরিকশাচালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের। অতিরিক্ত ভাড়া দাবি নিয়ে কখনো কখনো বাগিবতণ্ডায়ও জড়িয়ে পড়ছেন চালক-যাত্রীরা। প্রায়ই চালকদের হাতে নাজেহাল হচ্ছেন যাত্রীরা। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই গন্তব্যে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের।
পৌরসভার যানবাহন লাইসেন্স শাখা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে রিকশা ভাড়ার একটি তালিকা প্রণয়ন করা হলেও তা কখনই পুরোপরি কার্যকর হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়কে রিকশা-অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে চলছে নৈরাজ্য। রিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা বাড়লেও কমেনি ভাড়া। অসহায় যাত্রীরা চালকদের চাহিদা পূরণে বাধ্য হচ্ছেন। ব্যাটারিচালিত ও পায়ে চালানো রিকশাচালকরা নির্ধারিত হারের দ্বিগুণ বা তিন গুণ ভাড়া আদায় করছেন। পৌরবাসীর অনেকেই নতুন পৌর পরিষদের কাছে যৌক্তিক একটি কার্যকর ভাড়ার তালিকা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজা আক্তার জানান, কর্মস্থলে যাতায়াতের সময় প্রায় দিনই ভাড়া নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। একেকজন রিকশাচালক একেক রকম ভাড়া দাবি করে। যেখানে ১০ টাকা ভাড়া সেখানে কেউ কেউ ২০-২৫ টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়েই বেশি ভাড়া দিয়ে যেতে হয়।
ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক মুরাদ হোসেন জানান, লকডাউনে সব কিছুর দাম বেড়ে গেছে। তাই একটু আগের চেয়ে বেশী ভাড়া নিচ্ছি। তবে কেউ দিতে না চাইলে জোর করি না।
সৈয়দপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বলেন, দ্রুত ভাড়া নির্ধারণ করে তালিকা শহরের বিভিন্ন স্থানে টানানো হবে। এছাড়া নির্ধারিত ভাড়া কার্যকরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
