করোনার নতুন ধরন ধরা পড়লেও সরকার তা গোপন রাখে :ফখরুল

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২১, ২২:৩৭

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, দেশে ৫ জানুয়ারি করোনার নতুন ধরন ধরা পড়লেও তা গোপন রাখা হয়। সরকার তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সময়ক্ষেপণ করে এবং সংক্রমণের বাস্তবচিত্র গোপন করে। গতকাল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এ অবস্থায় বিএনপি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সব কর্মসূচি স্থগিত করে এবং সরকারের কর্মসূচি স্থগিতের আহ্বান জানায়। কিন্তু সরকার জনস্বার্থ উপেক্ষা করে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমগ্র প্রশাসনকে ব্যস্ত করে রাখে। এতে করে করোনা সংক্রমণ দমন ও নিয়ন্ত্রণে বিলম্বের কারণে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিশ্বের জনবান্ধব রাষ্ট্রগুলো যখন সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে শুরু করে বাংলাদেশের সরকার তখন স্বভাবসুলভ বলতে শুরু করে, আমরা করোনার চেয়ে শক্তিশালী।

টিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, করোনা মোকাবিলায় টিকার কোনো বিকল্প নেই। এ পর্যন্ত দেশে টিকা এসেছে ১ কোটি ২ লাখ ডোজ। তার মধ্যে ৩২ লাখ উপহার। ৭০ লাখ কিনেছে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে। ৩ কোটি টিকা কেনার কথা। চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫০ লাখ টিকা পাওয়ার কথা। জানুয়ারিতে ৫০ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ২০ লাখ এসেছে। মার্চে কোনো টিকা আসে নাই, কবে পরের চালান আসবে কেউ জানেন না। এ পর্যন্ত প্রায় ৫৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ৮ এপ্রিল ২০২১ তারিখ থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। বর্তমান মজুত অনুসারে সবাই দ্বিতীয় ডোজ পাবে না।