নারায়ণগঞ্জের সাতটি থানা, তদন্ত কেন্দ্র ও পুলিশ ফাঁড়িগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। থানা, তদন্ত কেন্দ্র ও পুলিশ ফাঁড়িতে স্থাপন করা হয়েছে ভারি অস্ত্রে সজ্জিত চৌকি। বরিশালের থানাগুলোতেও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ ও বরিশাল অফিসের পাঠানো খবর।
স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের সব থানার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের সাতটি থানা, তদন্ত কেন্দ্র ও পুলিশ ফাঁড়িগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে ভারি অস্ত্রে সজ্জিত চৌকি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে তল্লাশির মধ্যে দিয়ে থানা ও ফাঁড়িতে প্রবেশ করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে পুলিশের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।
সন্ধ্যায় বিভিন্ন থানা থেকে পাঠানো তথ্যে জানানো হয়, পুলিশের সাতটি থানার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফাঁড়ি এবং তদন্তকেন্দ্র ও পুলিশের স্থাপনাগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে গুরুত্ব অনুসারে থানা, ফাঁড়ি ও তদন্তকেন্দ্রে এলএমজি পোস্ট ও সিমেন্টের বস্তা দিয়ে বিশেষ ধরনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এসব চৌকিতে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ। ঝুঁকি বিবেচনা করে কিছু থানার ছাদে ও সামনের ফাঁকা স্থানে এ ধরনের চৌকি দেখা গেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলার বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে জেলা পুলিশের আওতাধীন সব থানা, ফাঁড়ি, তদন্তকেন্দ্র ও স্থাপনাগুলোতে এলএমজি পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।
বরিশাল অফিস : দেশব্যাপী সব থানার নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বরিশালের থানাগুলোতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বর্ধিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরীর বাসিন্দাদের জান-মালের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি থানার সরকারি সম্পদ এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার সারা দেশের সব থানার নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বরিশালের থানাগুলোতেও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের আরও সক্রিয় এবং সতর্ক রাখা হয়েছে। যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম। কোতোয়ালি মডেল থানার পাশাপাশি মেট্রোপলিটনের অপর তিন থানা এবং জেলার ১০ থানার নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে।
