স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
জনবলের অভাবে দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থাপিত করোনা টেস্টের পিসিআর ল্যাব। হাসপাতালের ল্যাবটি বন্ধ থাকায় চাপ পড়েছে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের (রামেক) ভাইরোলজি বিভাগে স্থাপিত পিসিআর ল্যাবে। রামেক ভাইরোলজি ল্যাবে প্রতিদিন ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হতো। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে ২০২০ সালের ১৯ মে রামেক হাসপাতালে দ্বিতীয় পিসিআর ল্যাবটি চালু করা হয়। চালুর পর দ্বিতীয় পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে চলছিল। সারাদেশের মতো রাজশাহীতে করোনার সংক্রমণ কমে গেলে তারা অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকেই রামেক হাসপাতালের ল্যাবটি বন্ধ রয়েছে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আবারও তা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জনবল চেয়ে ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি রামেক হাসপাতাল ল্যাবে সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এরপর যে স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে ল্যাবটি পরিচালনা করা হতো তারা তাদের পূর্বের কর্মস্থলে চলে যান। ফলে ল্যাবটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের পিসিআর ল্যাবটিতে বর্তমানে চার শিফটে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। হাসপাতালের ল্যাবটি বন্ধ থাকায় কলেজ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় চাপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মলিকুলার বায়োলজি ল্যাবের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বিভাগীয় ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবের বৈজ্ঞানিক এস এম হাসান এ লতিফ বলেন, হাসপাতালের ল্যাবটি যে কোনো সময় চালু করা যেতে পারে। ফেব্রুয়ারিতে নমুনা কমে যাওয়ায় বন্ধ রাখা হয়েছিল। এখন এটি চালু করতে লোকবল দরকার। জরুরিভাবে চার জন চিকিত্সক এবং চার জন মলিকুলার বায়োলজিস্ট দরকার। এর বাইরে ১২ জন টেকনোলজিস্টও প্রয়োজন। জনবল চাহিদা মিটলেই ল্যাব চালু করা যাবে। রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, জনবলের অভাবে হাসপাতালের মলিকুলার ল্যাবটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল চেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জনবল পেলেই ল্যাবটি চালু করা হবে।
