তালায় সামাজিক দূরত্বের বিধি মানছে না বেশির ভাগ মানুষ!

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২১, ২১:৫৮

করোনা সংক্রমণ

তালা (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা

উপজেলার প্রায় সব স্থানে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। দূরপাল্লার পরিবহন না চললেও স্থানীয় রুটে দু-একটি বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। চলছে ট্রাক মাহিন্দ্রা, ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত ভ্যানসহ ব্যক্তি মালিকানাধীন গাড়ি। এছাড়া দোকানপাট খোলা রয়েছে। তবে কাঁচা বাজারের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। তাছাড়া মাস্ক পরিধানে অনেকেরই অনীহা রয়েছে। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিফ-উল-হাসান করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সংশ্লিষ্ট আইন ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেন। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, মাস্ক ছাড়া কেউ বাইরে বের হলে তাকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তালা উপজেলায় যেভাবে লকডাউন চলার কথা সে অনুযায়ী সচেতনতা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।  লকডাউনের সপ্তম দিনে রবিবার তালা বাজারের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

ধামইরহাট (নওগাঁ) সংবাদদাতা জানান, ধামইরহাটে কাপড়ের দোকান, চার্জার অটোভ্যান ও চায়ের দোকানে স্বাস্থ্যবিধির কোনো তোয়াক্কা না করে মানুষজনের উপস্থিতি বাড়ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজার, হরীতকী ডাঙ্গা, রাঙ্গামাটি বাজার, উপজেলার পূর্ব বাজার থেকে আমইতাড়া বাজার পর্যন্ত রাস্তায় কোনো বাস চলাচল না করলেও মটোরসাইকেল, অটোভ্যান গাড়ি, চায়ের দোকান, খাবার হোটেল, কাপড়ের দোকানে জনসমাগমের কমতি নেই। সাধারণ মানুষ রাস্তায় নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখে দলবেঁধে একাধিক মানুষকে মাস্ক ছাড়ায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস জানান, জনগণ স্বাস্থ্যবিধির ওপর সচেতন না হলে আমাদের কাজ করা অনেকটা কষ্ট সাধ্য হবে । উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গণপতি রায় বলেন, পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে মাস্ক বিতরণসহ জনগণকে সচেতন করতে প্রতিদিন মাইকিং করা হচ্ছে।

মির্জাপুরে করোনার পরীক্ষা ও ভ্যাকসিন নিতে আসা রোগীদের দুর্ভোগ

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, মির্জাপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা ও করোনা ভ্যাকসিন (টিকা) নিতে আসা রোগীরা গত কয়েক দিন ধরে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে। করোনার টিকা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে শহীনুর রহমান খানসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, আগে হাসপাতালের বাইরে কয়েকটি বুথ স্থাপন করে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা এবং টিকা গ্রহণের ব্যবস্থা ছিল। এখন করোনার পরীক্ষা করতে আসা রোগী এবং টিকা নিতে আসা লোকজনকে হাসপাতালের ভেতরে আনা হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম বলেন, রোগীর সংখ্যা অনুপাতে আমাদের জনবল কম থাকায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।