বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে হঠাত্ করেই শনাক্ত ও মৃত্যুর হার বেড়ে গেছে। যাঁরা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন, তাঁরা কারা? পুরুষ না মহিলা, বয়স কত, কোন এলাকা বা পরিবেশে বাস করেন ইত্যাদি বিস্তারিত জানা দরকার, অন্তত গবেষণার জন্য। তাছাড়া রোগটি কী করে ছড়ায়, এর কারণ কী—বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে সবার জানা জরুরি। আমরা বনানীর কড়াইল বস্তি এলাকার কাছেই থাকি। সে বস্তিতে মানুষ গাদাগাদি করে বসবাস করলেও সেখানে করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগী দেখা যায়নি। এমনকি ডেঙ্গুজ্বরের প্রকোপও সেখানে চোখে পড়েনি। এ এক আশ্চর্য ব্যাপার। ফলে গবেষণা হলে ভবিষ্যতে এধরনের ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কী করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা পাওয়া যাবে। প্রত্যেক রোগীর জন্য উপর্যুক্ত পরিসংখ্যান রাখা সম্ভব না হলেও অন্তত মৃত ব্যক্তির বিস্তারিত পরিসংখ্যান সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গবেষণা ছাড়া গত্যন্তর নেই। ভাইরাসটি সম্পর্কে মিডিয়াতে যেসব সংবাদ পরিবেশন করা হয়, তা একেবারে অপ্রতুল। সরকারের আন্তরিকতার অভাব নেই। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতামত অবশ্যই নিতে হবে। মানুষের জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। মানবতার খাতিরে সবাইকে সহনশীল হতে হবে এবং ক্ষতির সম্মুখীন হলেও তার জন্য কষ্ট স্বীকার করতে হবে। এ যে সব ধর্মেরই কথা।
গুল নেহাল দস্তগীর
বাড়ি ৬, সড়ক ২/এ, বনানী, ঢাকা ১২১২
