ইত্তেফাক রিপোর্ট
করোনা পরিস্থিতিতে সরকারঘোষিত কঠোর লকডাউনে শিল্পকারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসব কারখানায় সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না—তা কঠোরভাবে মনিটরিং করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে কারখানার মালিকপক্ষকেও এ বিষয়ে যথাযথ মনিটরিং কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত শ্রম পরিস্থিতি মোকাবিলায় ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির এক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। তিনি বলেন, সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ চলাকালীন উত্পাদনে থাকা সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কর্তৃপক্ষ। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই) এবং শ্রম অধিদপ্তরের সারা দেশের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা, মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত কমিটিকে শ্রমিকদের সুরক্ষায় কঠোরভাবে কাজ করতে হবে। এ সময় কারখানার মালিকপক্ষকে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে কঠোর হওয়ার তাগিদ দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। ইত্তেফাককে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঠিকমতো কারখানা চলছে কি না—তা কারখানার মালিকপক্ষের পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ও তদারক করবে। এছাড়া ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা কীভাবে পরিশোধ হবে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালামের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. রেজাউল হক, ডিআইএফইর মহাপরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, শ্রম অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক আব্দুল লতিফ খান, শিল্প পুলিশের ডিআইজি মাহবুবুর রহমান, শ্রমিক নেতা কামরুল আহসান, নাইমুল আহসান জুয়েল প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
