বরগুনায় শিশুকে ধর্ষণের পর পাঁচ দিন আটকে রেখে আলামত নষ্টের চেষ্টা!

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২১, ২২:৫১

বরগুনার আমতলীর একটি ইটভাটায় গত বুধবার (৫ এপ্রিল) সাড়ে তিন বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরো অভিযোগ উঠেছে, ধর্ষণের আলামত নষ্ট ও ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশুটিসহ তার বাবা-মাকে পাঁচ দিন ধরে ইটভাটায় আটকে রাখা হয়। ঘটনার পাঁচ দিন পর গতকাল সোমবার শিশুটিকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাওঘা গ্রামের ঐ শিশুর মা-বাবা একই উপজেলার কুকুয়ার হাজারটাকা বাঁধ এলাকার ‘ফাইভস্টার’ ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন। ঐ ইটভাটায় আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের ইসমাইল সিকদারের ছেলে ইলিয়াস সিকদার ইট তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করেন। তারা ইটভাটার খুপরিঘরে বসবাস করেন। বুধবার দুপুরে ইলিয়াস শিশুটিকে তার ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময়  শিশুটির চিত্কারে মাসহ স্থানীয়রা ছুটে এসে শিশটিকে উদ্ধার করে গাজীপুর বন্দরের পল্লি চিকিত্সক জসিম উদ্দিনের কাছে নিয়ে চিকিত্সা করান। ঘটনার পর থেকে বখাটে ইলিয়াস পলাতক। এ ঘটনায় ইটভাটার শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ইটভাটা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শিশুটিসহ তার বাবা ও মাকে পাঁচ দিন ধরে সেখানে আটকে রাখার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। পাঁচ দিন পর সোমবার শিশুকে নিয়ে তার মা-বাবা ইটভাটা থেকে পালিয়ে যান। শিশুটিকে অধিকতর পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

শিশুটির মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের বলেন,  ‘ইলিয়াস মোর সাড়ে তিন বচ্চরের মাইয়্যাডারে ধর্ষণ হরছে। মুই বিচার চাই।’  শিশুটির বাবাও একই অভিযোগ করেন। তবে ইটভাটার সরদার নুর আলম শিশুটির বাবা-মাকে আটকে রাখার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘শিশুটিকে আমি ডাক্তারের কাছে নিয়ে চিকিত্সা করিয়েছি।’ ইটভাটার ম্যানেজার মোফাজ্জেল বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে লোকে বলাবলি করছে। ইটভাটার মালিক মো. মধু প্যাদা বলেন, ‘এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছি।’ তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তিনি ইলিয়াসের বিচার দাবি করেন।

পুঠিয়ায় পৌরসভার মেয়রের

বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

পুঠিয়া (রাজশাহী) সংবাদদাতা জানান, রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার বর্তমান মেয়রের বিরুদ্ধে পুঠিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। রবিবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন দুর্গাপুর উপজেলার বর্ধনপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের কন্যা রুমালী খাতুন (২৭)। পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সোহরাওয়ার্দী হোসেন দৈনিক ইত্তেফাককে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।