আমাদের কারণে যেন সংক্রমণ না বাড়ে

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:১৮

কারখানার মালিকদের

বিজিএমইএ সভাপতি 

ইত্তেফাক রিপোর্ট

নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই কঠোর লকডাউন সত্ত্বেও তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য পোশাকশিল্পের মালিকেরা গত কয়েক দিন যাবত্ সরকারের সঙ্গে দেনদরবার করে আসছিলেন। তবে কারখানা চালু করা হলেও সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি যাতে কঠোরভাবে মানা হয়, তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের প্রতি সে আহ্বান জানিয়েছেন এই খাতের শিল্পমালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর নতুন সভাপতি ফারুক হাসান।

গতকাল রাজধানীর গুলশানে সংগঠনটির অফিসে তাঁর নেতৃত্বে               নতুন পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব গ্রহণ করে। দায়িত্ব গ্রহণ শেষে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন, ‘আমাদের চাওয়া সরকার মেনে নিয়ে                 কারখানা খোলা রাখার সুযোগ দিয়েছে। চাই না, আমাদের কারণে সংক্রমণ বেড়ে যাক। সেজন্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করতে হবে। দেখাতে চাই যে, আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে, আমরা তা রক্ষা করতে পেরেছি।’

তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কারখানা চালু রাখার সিদ্ধান্ত না হলে আরো অনেক মানুষ ঢাকা ছাড়ত। যে পরিমাণ শ্রমিক দরকার, তা দিয়েই কারখানা চালানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এজন্য কোনো গণপরিবহন ব্যবহার করা হবে না। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকদের আনা-নেওয়া করা হবে।

কঠিন সময়ে সংগঠনটির দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে চাপ টের পাচ্ছি।’ তবে এ খাতের টেকসই উন্নয়নে ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড খাত নিয়ে দলগতভাবে কাজ করার ইচ্ছার কথা জানান তিনি।

এর আগে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিজিএমইএর বিদায়ি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সালাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, আব্দুস সালাম মুর্শেদী ছাড়াও বিদায়ি কমিটির পরিচালনা পর্ষদ ও নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্ষদের সদস্যরা। বিদায়ি সভাপতি ড. রুবানা হক যুক্তরাজ্যে থাকায় তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। ফারুক হাসানের নেতৃত্বাধীন কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য সংগঠনটির দায়িত্ব পালন করবে।