এনজিও সংস্থাগুলোর কিস্তি শিথিল করা হোক

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২১, ২১:৫৯

উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত পর্যন্ত  প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো কারণে ‘ঋণ’ শব্দটার সঙ্গে জড়িত। একটা সময় ছিল যখন বিভিন্ন ব্যাংক থেকে মানুষ ঋণ নিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় কাজ করত। কিন্তু বর্তমানে এমন অনেক এনজিও সংস্থা রয়েছে যারা ঋণ নিতে ইচ্ছুক গ্রাহকদের ঋণ দিয়ে থাকে। বাংলাদেশে ৭৫৮টি এনজিও সংস্থা রয়েছে। এদের ঋণগ্রহীতার সংখ্যা তিন কোটিরও বেশি। গত বছর করোনা মহামারি দেখা দেওয়ার পর যখন লকডাউন ঘোষণা করা হয় তখন বিভিন্ন এনজিও সংস্থা তাদের কিস্তি নেওয়া অব্যাহত রাখলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাদের এই কিস্তি নেওয়া যেন শিথিল করা হয় তা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ফলে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ছয় মাসের কিস্তি শিথিল করেছিল এনজিও সংস্থাগুলো। আবার ঘোষণা করা হলো লকডাউন। এই লকডাউন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত অসহায় মানুষগুলোর জন্য একধরনের অভিশাপ। এদিকে এনজিও সংস্থাগুলো তাদের কিস্তি নেওয়া অব্যাহত রেখেছে—কোনো ধরনের শিথিলতার ঘোষণা দেয়নি। লকডাউনে অসহায় মানুষগুলোর ওপরে কিস্তির চাপ অনেক বড় ধরনের চিন্তার পাহাড় বয়ে নিয়ে এসেছে। সরকারের উচিত আবারো এনজিও সংস্থাগুলোকে কিস্তি শিথিলের নির্দেশ দেওয়া।

ইসরাত জাহান

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ