বিবিসি, সিএনএন
তাইওয়ানের আকাশপথে ২৫টি যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করেছে। সোমবার তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ দাবি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিমান এবং পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম বোমারু বিমান তাইওয়ানের ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে (এডিআইজেড) প্রবেশ করেছে। গত এক বছরের মধ্যে এক সঙ্গে এবারই সবচেয়ে বেশি চীনা বিমান তাইওয়ানে অনুপ্রবেশ করল। তাইওয়ানের চীনের এমন আগ্রাসন বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক দিন ধরেই এ বিষয়ে সতর্ক করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে বেইজিং। অপরদিকে তাইওয়ান নিজেদের সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবেই মনে করে থাকে।
তাইওয়ান জানিয়েছে, চীনের সর্বশেষ এই মিশনে ছিল ১৮টি যুদ্ধবিমান, চারটি বোমারু বিমান যেগুলো পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম, দুটি অ্যান্টি সাবমেরিন বিমান এবং একটি প্রাথমিক সতর্কতা প্রদানকারী বিমান। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা চীনা যুদ্ধবিমানকে সতর্ক করতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। এছাড়া মিসাইল সিস্টেমের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গত কয়েক মাসে তাইওয়ানের দক্ষিণাঞ্চল এবং তাইওয়ান নিয়ন্ত্রিত প্রাতাস দ্বীপে আন্তর্জাতিক জলসীমার ওপর দিয়ে প্রতিনিয়ত চীনের বিমান চলাচল করছে।
তাইওয়ানের প্রতি চীনের আগ্রাসি পদক্ষেপ বেড়ে গেছে বলে মাত্র এক দিন আগেই সতর্ক করেছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। এর মধ্যেই তাইওয়ানের আকাশপথে চীনা বিমান অনুপ্রবেশ করল। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বেইজিংয়ের এমন কর্মকাণ্ডে হতবাক বিশ্বের অন্যান্য দেশও।
