যে সমস্ত এলাকায় হাসপাতালে সিট খালি নেই, সে সমস্ত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গঠন করে রোগীকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিত্সা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গঠন করার বিষয়টি সরকারের নীতি নির্ধারকদের বিবেচনার দাবি রাখে। চিকিত্সক, নার্স, টেকনিশিয়ান, এমএলএসএস, নার্সিং অ্যাসিসটেন্ট সমন্বয়ে ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গঠন করে গাড়িসহ করোনা চিকিত্সায় প্রস্তুত রাখা জরুরি। এই টিম ঘরে ঘরে গিয়ে করোনা রোগীদের চিকিত্সাসেবা দেবে। টিমের কাছে খবর দেওয়ার জন্য কয়েকটি মোবাইল নম্বর থাকবে। রেডিও, টিভি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে টিমের যোগাযোগ নম্বরগুলো জানিয়ে দিতে হবে। প্রাথমিকভাবে সকাল ৮টা থেকে রাত্রি ১০টা পর্যন্ত টিম সেবা দেবে। দুই শিফটে রাত দশটা পর্যন্ত টিম কাজ করবে। প্রয়োজনে তিন শিফট করা যেতে পারে। গত বছর চট্টগ্রাম নগরীর সিটি গেট এলাকায় স্থাপিত একটি ফিল্ড হাসপাতাল কোভিড রোগীদের চিকিত্সায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল। নাভানার একটি ভবনে হাসপাতালটি চালু করা হয়েছিল। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ব্যতিক্রমধর্মী ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালের কাজ শুরু হয়েছে। সরকার এ সমস্ত ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তার কাছ থেকে প্রয়োজনে জানতে পারেন। বর্তমানে উন্নত বিশ্বে স্বয়ংক্রিয় অক্সিজেন উত্পাদনের যন্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহূত হচ্ছে। যন্ত্রটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অক্সিজেন উত্পন্ন করার কারণে এর মধ্যে অক্সিজেন শেষ হলে রিফিল লাগানো কিংবা বাইরে থেকে অক্সিজেন ভর্তি করার প্রয়োজন হয় না। এ যন্ত্র থেকে প্রতি ঘণ্টায় তিন লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করা যায়। এটি ৭২ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে। এর দাম পড়ে ৩৬ হাজার টাকা। বেসরকারি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান যন্ত্রটি আমদানি করে বাজারে বিক্রি করছে।
আব্বাস উদ্দিন আহমদ
ধোপাদীঘির দক্ষিণ পাড়, সিলেট ৩১০০
