কমলগঞ্জে ডায়রিয়া সর্দিজ্বর ও আমাশয়ের প্রকোপ

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২১, ২১:৩৩

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

কমলগঞ্জ উপজেলায় ডায়রিয়া, স্বর্দি, ভাইরাস জ্বর ও আমাশয়ের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের বেশির ভাগই প্রাইভেট ফিজিশিয়ানদের সেবা নিয়ে নিজ বাড়িতে চিকিত্সা নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও একাধিক প্রাইভেট ফিজিশিয়ানদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি কমলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ডায়রিয়া, সর্দি জ্বর ও আমাশয়ে ভোগছেন (পেটের পীড়া) বেশকিছু মানুষ। প্রাথমিকভাবে আক্রান্ত রোগী পল্লি চিকিত্সকসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ফিজিশিয়ানদের কাছে যাচ্ছেন। আবার অনেক রোগী কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিত্সা গ্রহণ করছেন। এদের মধ্যে যাদের অবস্থা একটু খারাপ তাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিত্সাসেবা নিতে হচ্ছে।

শমশেরনগর বাজারের প্রাইভেট ফিজিশিয়ান কামরুজ্জামান শিমু, শ্যামলেন্দু সেন শর্মা বলেন, চলতি সময়ে দিনে অস্বাভাবিক গরম অনুভূত হওয়ায় শেষ রাতে আবার একটু ঠান্ডার সঙ্গে কুয়াশা পড়ছে। আবহাওয়ার এ তারতম্যে ডায়রিয়া, সর্দিজ্বর ও আমাশয় (পেটের পীড়া) রোগের একটু প্রকোপ দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন গড়ে ১০ জন এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে তার কাছে চিকিত্সাসেবা নিচ্ছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন বেশকিছু সংখ্যক রোগী এসে জরুরি সেবা গ্রহণ করে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়রিয়া ও আমাশয়ের ১৬ জন রোগী চিকিত্সাসেবা নিয়েছেন। আর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুসহ আট জন রোগী ভর্তি আছে। কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম মাহবুবুল আলম ভুঁইয়া বলেন, শীতের সময়ও ডায়রিয়ার কিছুটা প্রকোপ থাকে। আর গরমের সময় এ প্রকোপটা বাড়ে। সম্প্রতি ডায়রিয়া, সর্দিজ্বর ও আমাশয়ের প্রকোপ দেখা দিলেও উল্লেখযোগ্য নয়। তিনি আরো বলেন, রমজান মাস শুরু হওয়ায় মানুষের খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন হয়েছে। ফলে ডায়রিয়া হতে পারে। আর করোনার সময়ে এ প্রকোপে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে তিনি জানান।