রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় ২০১৩ সালের এক মামলায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরিফউল্লাহর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল শুক্রবার এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অপরদিকে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত বুধবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক আয়ান মাহমুদ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীর মীর হাজিরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিএমপির গোয়েন্দা (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ।
দুই দিনের রিমান্ডে রফিকুল
এদিকে রাষ্ট্রবিরোধী, উসকানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে আটক বিতর্কিত ‘শিশু বক্তা’ রফিকুল ইসলামকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল শুক্রবার বিকালে তার রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুর মেট্রোপলিটনের গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ইসমাইল হোসেন। গত মঙ্গলবার গাছা থানার পুলিশ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঐ দিন বিচারক ১৬ এপ্রিল রিমান্ডের দিন ধার্য করেন। গাজীপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শেখ নাজমুন নাহার তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা থেকে তাকে আটক করে র্যাব। র্যাব-১ ডিএডি মোহাম্মদ খালেক বাদী হয়ে গাছা থানায় বিতর্কিত বক্তা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।
