গত ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে লকডাউন চলছে। ফলে মুদি দোকান ও ফার্মেসি ছাড়া অন্যান্য দোকান বন্ধ। গণপরিবহনের সঙ্গে ভারী যানবাহন চলাচলও বন্ধ। এতে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন দুধের গরুর খামারিরা। মিষ্টি জাতীয় পণ্যের উত্পাদন ফ্যাক্টরি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে দুধ থেকে যাচ্ছে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়ন সারা চট্টগ্রামে দুধ উত্পাদনের জন্য বিখ্যাত। লকডাউনের কবলে পড়ে শিকলবাহা ইউনিয়নবাসীর টনকে টন দুধ অবিক্রিত থাকছে। এদিকে গরুর খাদ্যদ্রব্যাদির বাজার দাম চড়া। যার কারণে প্রতিদিন অনেক আর্থিক ক্ষতির মুখে আছেন কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের দুধের গরু খামারিরা। দুধ বিক্রি করতে না পেরে তাঁরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন। গত বছরের লকডাউনেও গরুর খামারিদের অবস্থা করুণ হয়ে পড়েছিল। এবারে হয়তো অনেক খামারিকেই পথে বসতে হবে। তাই সরকারের এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া অতীব জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় দুধের গরু খামারিরা দুধ উত্পাদনে ভবিষ্যতে নিরুত্সাহিত হবেন। জাতীয় পর্যায়েও অর্থনীতিতে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে।
সাজ্জাদ হোসেন রায়হান
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
