বিশেষ প্রতিনিধি
বাংলাদেশ কৃষক লীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। দেশের কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষার জন্য ১৯৭২ সালে এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষকলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি কৃষকদের সংগঠিত করা, তাদের দাবি আদায় এবং দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে আসছে।
১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর পিতার আদর্শকে ধারণ করে কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে কৃষক লীগকে পুনর্গঠন করেন। এই পর্যন্ত গ্রাম এবং ওয়ার্ড কমিটি গঠন সম্পূর্ণ করে কাউন্সিলের মাধ্যমে প্রায় ১০৮১টি ইউনিয়ন কৃষক লীগ কমিটি গঠিত হয়েছে।
করোনা ভাইরাসের কারণে এবার সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বড় কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১০টায় ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে ধানমন্ডি-৩২ সংলগ্ন স্থানে মাস্ক বিতরণ করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে পোস্টার ও ফেস্টুন লাগানো হবে। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ সব সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা উপহার (মাস্ক) প্রদান করা হবে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির ন্যায় স্বাস্থ্যসুরক্ষা বিধি অনুসরণ করে প্রত্যেক জেলা, মহানগর, উপজেলা সকালে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো ও মোনাজাত এবং বিনা মূল্যে কৃষকের মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এবং প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশের সমগ্র কৃষক সমাজ, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী, কৃষক সমাজের হিতাকাঙ্ক্ষীসহ সকলকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
