নির্মাণাধীন ভবন থেকে নির্মাণসামগ্রী নিচে পড়ে পথচারী মৃত্যু বেড়ে চলেছে। এসব দুর্ঘটনার সব কয়টি-ই ব্যস্ত ও জনচলাচলে পরিপূর্ণ সড়কে বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। ভবন নির্মাণে যে নিরাপত্তা বেষ্টনী ব্যবহার করা হয়, সড়কের পাশের ভবনের ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যয় বেশি হলেও এসব বেষ্টনী যথাসম্ভব বাড়ানো উচিত। আবার বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে যে নেট ব্যবহার করা হয়, প্রয়োজনে তা দ্বিস্তর ও ত্রিস্তর বিশিষ্ট করলে এসব দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা কমবে। যেসব ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড ঠিকভাবে মানা হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তির ব্যবস্থা করলে অনেকাংশে কমে যাবে অদায়িত্বশীল নাগরিক আচরণ। আবার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও চিহ্নিত স্থাপনাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শদানও এ উদ্যোগের অন্যতম দিশা হতে পারে। তাই বহুতল ভবন তৈরির আগে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বা সিটি করপোরেশনের বিদ্যমান বিধিমালা মোতাবেক দক্ষ প্রকৌশলীর সাহায্যে নকশা প্রণয়ন করা জরুরি। তারপর ভবনের চারপাশে প্রয়োজনীয় জায়গা ছেড়ে দিয়ে ভবন নির্মাণ করা।
শাহাদাত সুমন
শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা
