বগুড়ায় ফেনসিডিল বিক্রির অভিযোগে এএসপিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২১, ০০:২০

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলায় ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে সেখান থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনায় শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অপর দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন— শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহিন উজ্জামান ও ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা। বুধবার দুপুরে বগুড়ার পুলিশ সুপারের আদেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করেন মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সদস্যরা। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী। যানবাহন তল্লাশিকালে ঢাকাগামী বাস খালেক পরিবহন থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহনের বাস থেকে সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের পাশাপাশি তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন। পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের স্থলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেওয়া হয়। বাকি ৮৮ বোতল ফেনসিডিল পুলিশের এক কর্মকর্তা সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়ার পুলিশ সুপার মামলা দুটি ডিবিতে স্থানান্তরের আদেশ দেন। এছাড়াও তিনি গত মঙ্গলবার মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ফেনসিডিল উদ্ধারের সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্য ছাড়াও মামলার সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পুলিশ সুপার জিজ্ঞাসাবাদে ফেনসিডিল বিক্রির প্রাথমিক প্রমাণ পান। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।