চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের যাত্রী বেড়েছে তিন গুণ

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২১, ২২:৫২

অনুমোদিত তিনটি সংস্থাই ফ্লাইট পরিচালনা করছে

সৈয়দ আবদুল ওয়াজেদ, চট্টগ্রাম অফিস

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর দ্বিতীয় দিনে যাত্রীর সংখ্যা প্রথম দিনের তুলনায় তিন গুণ বেড়েছে। টানা প্রায় ১৮ দিন বন্ধ থাকার পর দেশের সাতটি রুটের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে বিমান চলাচল গত বুধবার থেকে যথারীতি চালু হয়। প্রথম দিন অনুমোদনপ্রাপ্ত দুটি সংস্থার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এ রুটে চলাচল করে। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুমোদিত তিনটি সংস্থাই তাদের ফ্লাইট পরিচালনা করে।

গত বুধবার দুটি সংস্থা ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করে। যাত্রী সংখ্যা ছিল সর্বসাকুল্যে ২৫০ জন মাত্র। কিন্তু বৃহস্পতিবার তিনটি সংস্থাই এই রুটে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনায় আসলে যাত্রী সংখ্যাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ট্রাফিক বিভাগের একটি সূত্র জানায়, গতকাল বিকাল পর্যন্ত পরিচালিত ছয়টি ফ্লাইটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যান সর্বমোট ২৬৫ জন যাত্রী এবং ঢাকা থেকে আসেন ১৭৪ জন যাত্রী। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিডিউল অনুসারে তখনো আরো তিনটি ফ্লাইট বাকি ছিল। ফলে যাত্রীর সংখ্যা আরো বাড়বে বলেও জানান ট্রাফিক বিভাগ সূত্র।

বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার ফরহাদ ইত্তেফাককে বলেন, গত বুধবার থেকে যথারীতি ডোমেস্টিক ফ্লাইট শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচল শুরু করায় তিনটি সংস্থার অনুমোদিত সর্বমোট ৯টি ফ্লাইট ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলাচল করে। এতে যাত্রীর সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে।

এদিকে ইউএস বাংলার কর্মকর্তা মো. মাইনুল বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ৫ এপ্রিল থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ ছিল। বুধবার থেকে দেশের সাতটি রুটে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট শুরু হওয়ায় ইউএস বাংলা তাদের নির্ধারিত রুটে শিডিউল অনুসারে যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে।

বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে প্রতিদিন ৯টি ডোমেস্টিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য তিনটি সংস্থা অনুমতি পেয়েছে।  সংস্থাগুলো হচ্ছে—জাতীয় পতাকা বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, বেসরকারি সংস্থা ইউএস বাংলা এবং নভো এয়ার। খোলার প্রথম দিন ইউএস বাংলা ও নভো এয়ার ফ্লাইট  পরিচালনা করে। দ্বিতীয় দিন থেকে যুক্ত হয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।