পাকিস্তানের গওয়াদার ওয়াটার প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে: এনএবি

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২১, ১৩:৫০

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের গওয়াদারের ওয়াটার ডিসালিনেশন প্রকল্পে প্রায় সোয়া বিলিয়ন রূপির দুর্নীতি এবং অবৈধভাবে সরকারি জমি বিক্রির কথা সামনে এসেছে। দেশটির ন্যাশনাল একাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (এনএবি) এসব উন্মোচিত করেছে বলে শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) জানিয়েছে আল আরাবিয়া পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কোয়েটার একাউন্টেবিলিটি কোর্টে বেলুচিস্তান উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডিএ) তিন সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কর্তৃত্বের অপব্যবহার এবং দুর্নীতির দায়ে একটি রেফারেন্স দায়ের করা হয়েছে। তারা অবৈধভাবে যে চুক্তি করেছিল তার ফলে জাতীয় তহবিলের এক বিলিয়ন রূপির ক্ষতি হয়েছে। এসব দায়ের করেছে এন্টি গ্রাফট ওয়াচডগ।

যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন, বিডিএ এর সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক, সাদাত আনোয়ার কাম্বরানী, আলি জহির হাজারা,  বিডিএ ডিরেক্টর জাভেদ খান এবং কন্ট্রাক্টর ইজাজ মালিক ও সাইদ মোহাম্মদ বদর।

বন্দর নগরী গওয়াদারের পরিষ্কার জল সরবরাহের জন্য ওয়াটার ডিসালিনেশন প্রকল্পটি শুরু করা হয়েছিল। প্রকল্পের তদন্তে জানা গেছে বিডিএ কর্তৃপক্ষ একে অপরের সাথে একত্রিত হয়ে এজাজ মালিক এবং সৈয়দ মোহাম্মদ বদরকে প্রকল্পের চুক্তি অবৈধভাবে প্রদান করে এবং নিয়ম ও বিধি ভেঙে অগ্রিম পেমেন্টও করে।

এনএবি সূত্র মতে, চুক্তি সংস্থাগুলি কোনওভাবেই প্রয়োজনীয় বিভাগে পড়েনি বা ওয়াটার ডিসালিনেশন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে নি। অন্যদিকে, রাজস্ব রেকর্ডে অবৈধ হস্তক্ষেপ এবং গওয়াদারে অবৈধভাবে সরকারি জমি বেচাকেনার জন্য পাঁচ তহসিলদারসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধেও রেফারেন্স দায়ের করেছে এনএবি।

ইত্তেফাক/এসএ