গরিবের চিকিত্সা

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২১, ২২:৩১

দেশের জনসংখ্যার বিচারে গরিব, অসহায় মানুষের সংখ্যা অনেক। অসহায় শ্রমজীবী মানুষের জীবন কণ্টকাকীর্ণ। বেশিরভাগই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। প্রতিটি উপজেলায় রয়েছে সরকারি হাসপাতাল। ওয়ার্ড বা গ্রাম পর্যায় রয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক সেন্টার। আর এগুলোই মধ্যবিত্ত, গরিব অসহায়দের চিকিত্সার একমাত্র ভরসা। কিন্তু সরকারি হাসপাতালগুলো বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে যথাযথ চিকিত্সা বা পরিচর্যা কতটা দিতে পারছে তা নিয়ে রয়েছে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। এসব হাসপাতালে অসন্তোষজনক বিভিন্ন কার্যকলাপের খোঁজখবর পাওয়া যায়। টিকিট কাটার ক্ষেত্রে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কিন্তু সিরিয়াল মানা হয় না। স্বজনপ্রীতি ও ‘জোর যার মুল্লুক তার’ এই নীতিতেই চলে। এর পরে ডাক্তারের চেম্বারে পৌঁছতে দাঁড়াতে হয় আরেক লম্বা লাইনে। সেখানেও একই অবস্থা। কখনো কখনো ডাক্তার আসতে দেরি করেন। কোথাও কোথাও রোগীদের অবহেলা প্রকট। সব থেকে দুঃখজনক হলো কিছু কিছু হাসপাতালের টয়লেটগুলো একেবারেই অপরিচ্ছন্ন। সরকারি চিকিত্সা পাওয়া যেন কষ্টকর! যথাযথ তদারকির অভাবে এরকম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। এর সুষ্ঠু সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

মো. আবদুল্ল­াহ, শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ