বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, এনার্জি স্টোরেজের (মজুত) ব্যবস্থাপনা টেকসই করা সময়ের দাবি। নাবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার যত বাড়বে এনার্জি স্টোরেজের প্রয়োগও তত বাড়বে। একই সঙ্গে এনার্জি স্টোরেজের ব্যবহার মূল্যসাশ্রয়ী হতে হবে। গতকাল শনিবার ‘স্টোরেজ অ্যাপ্লিকেশন্স ইন বাংলাদেশ পাওয়ার সিস্টেম’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিদ্যুত্ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পিক-অফপিক আওয়ার, সাশ্রয়ী জ্বালানি এবং স্টোরেজ ব্যবস্থাপনা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। নবায়নযোগ্য জ্বালানির পুরো সুবিধা নিতে হলে এর বিকল্প নেই। তাছাড়া অফ পিকে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে। এই সময়ের বিদ্যুতের মাধ্যমে বিদ্যুতের পিক চাহিদাও মেটানো সম্ভব হবে।
ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের অটোমেশন ও পাওয়ার সলিউশন বিষয়ক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ইট্যাবের ভিপি (অপটিমাইজেশন) ড. আহমেদ সাবের। তিনি বিভিন্ন ধরনের ব্যাটারি ও তার ধারণ ক্ষমতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও এর চ্যালেঞ্জ, এনার্জি স্টোরেজ প্রোডাক্টস, সোপ-ক্যাপ, ফোয়েল সেল, পাম্প স্টোরেজ, টেকসই জ্বালানির নানা বিষয় তার উপস্থাপনায় তুলে ধরেন।
এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লাহ আমজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন, স্রেডার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, বুয়েটের নিউক্লিয়ার পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী, জি আই জেডয়ের অনুষ্ঠান সমন্বয়ক আল মোতাব্বির বিন আনাম।
