টানা হার ও সমালোচনার চাপে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ দল শ্রীলঙ্কা সফরে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ছিল। ক্যান্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় না পেলেও ড্রয়ের স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ। গতকাল পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্ট ড্র হয়েছে। দুই ম্যাচের সিরিজে এখন সমতা (০-০) বিরাজ করছে। একই ভেন্যুতে আগামী ২৯ এপ্রিল শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।
এই ড্রয়ের মাধ্যমে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবার পয়েন্ট পেল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ড্র করে ২০ পয়েন্ট অর্জন করেছে মুমিনুল বাহিনী। পয়েন্ট তালিকার তলানীতে থাকা বাংলাদেশ ৬ ম্যাচ খেলে ৫টি হেরেছে। আগামী জুনে ইংল্যান্ডে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম চক্রের ফাইনালে খেলবে ভারত-নিউজিল্যান্ড।
ক্যান্ডিতে প্রখর রোদের সঙ্গে পাঁচ দিনই উইকেটে অব্যাহত ছিল রানের জোয়ার। শেষ বেলায় স্বস্তির পরশ বুলিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি। বাংলাদেশের ৫৪১ রানের জবাবে গতকাল ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিনের লাঞ্চ পর্যন্ত ব্যাটিং করেছে শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নের ডাবল সেঞ্চুরি, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার সপ্তম সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ৬৪৮ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। ১০৭ রানের লিড পায় তারা।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ২ উইকেটে ১০০ রান তুলে চা বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। তারপরই নেমে আসে বৃষ্টি। পরে আর খেলাই হয়নি। ম্যাচ ড্র ঘোষণা করা হয়। যদিও ২৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। পরে দলকে এগিয়ে নেয় তামিম ইকবাল-মুমিনুলের ৭৩ রানের জুটি। তামিম অপরাজিত ৭৪, মুমিনুল অপরাজিত ২৩ রান করেন।
এর আগে গতকাল ৫ উইকেটে ১৩৬ রান যোগ করেছিল লঙ্কানরা। করুনারত্নে-ধনাঞ্জয়ার ৩৪৫ রানের জুটি ভাঙেন তাসকিন। দুজনকেই ফেরত পাঠান তিনি। করুনারত্নে ২৪৪, ধনাঞ্জয়া ১৬৬ রান করেন। পরে ডিকওয়েলার ৩১, হাসারাঙ্গার ৪৩ ও লাকমলের অপরাজিত ২২ রানে ৬০০ পার হয় শ্রীলঙ্কার স্কোর। বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন ৩টি, তাইজুল ২টি উইকেট পান। করুনারত্নে ম্যাচ সেরা হন।
