অর্থমন্ত্রীর নির্বাচনি এলাকায় তিন সরকারি হাসপাতালে ছয়টি আইসিইউ শয্যা চালু

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২১, ০০:৩৩

কুমিল্লার তিনটি উপজেলার (সদর দক্ষিণ, নাঙ্গলকোট ও লালমাই) সরকারি হাসপাতালে ছয়টি আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) শয্যা গতকাল রবিবার থেকে চালু হয়েছে। একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিত্সা সরঞ্জামাদিও দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা-১০ আসনের এমপি ও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের উদ্যোগে ও আবুল খায়ের গ্রুপের সহযোগিতায় জেলা সদরের বাইরে তার নির্বাচনি এলাকার ঐ তিন উপজেলার মানুষের জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়। কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দিন দিন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে তাত্ক্ষণিকভাবে চিকিত্সাসেবা দিতে অর্থমন্ত্রীর উদ্যোগে তার নিজ নির্বাচনি এলাকা কুমিল্লা-১০ আসনের সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও লালমাই উপজেলার বাগমারা ২০ শয্যা হাসপাতালে দুটি করে আইসিইউ শয্যা স্থাপন করে রবিবার থেকে কার্যক্রম চালু করা হয়। এর আগে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ চালানোর জন্য চিকিত্সক, নার্সদের সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

নবগঠিত লালমাই উপজেলার বাগমারা হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সা কর্মকর্তা (আরএমও) আনোয়ার উল্লাহ বলেন, ‘এ হাসপাতালে দুটি আইসিইউ শয্যা, দুটি হাইফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা, তিনটি অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর, একটি বাইপেপ ও একটি সিপেপ ভেন্টিলেটর, ১২টি সিলিন্ডার সম্বলিত সেন্ট্রাল অক্সিজেন, ইসিজি ও এক্সরে মেশিন, ১০টি অত্যাধুনিক পেশেন্ট মনিটর, একটি অটোক্লেভ মেশিন, একটি লেরিঙ্গোস্কোপ মেশিন, দুটি বৈদ্যুতিক সাকার মেশিন ও ১০টি স্পেশাল শয্যা স্থাপন করা হয়েছে। এখানে করোনা আক্রান্তদের চিকিত্সার জন্য ১২ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেবদাস দেব বলেন, ‘এখানে আইসিইউ চালু হওয়ায় করোনায় আক্রান্ত রোগীরা নিজ এলাকায় থেকে উন্নত চিকিত্সাসেবা পাবেন।’ সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আশরাফুর রহমান বলেন, ‘এখানে আধুনিক মানের দুই শয্যার আইসিইউ, পাঁচ শয্যার হাইফ্লো অক্সিজেন সিস্টেম ও ১৯ শয্যার সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম চালু করা হয়েছে।’ কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, আইসিইউ পরিচালনার জন্য চিকিত্সক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।