বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল গতকাল সোমবার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পালটাপালটি কর্মসূচি দিয়েছে দলটির দুটি গ্রুপ। দলের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক দীপক শীলের নেতৃত্বে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাচ চত্বর এলাকায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়। অন্যদিকে বিকাল ৫টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে পুনরায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করে আরেকটি গ্রুপ। এ গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি তাহসীন মল্লিক।
এর আগে দলের কেন্দ্রীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে যায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পর আলাদা আলাদা কর্মসূচি করে আসছে গ্রুপ দুটির নেতৃত্বদানকারীরা। পালটাপালটি কর্মসূচির বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক রাগীব নাঈম বলেন, ১২ এপ্রিলের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গঠিত ঐক্যের কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়। ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজউল্লাহ বলেন, কেন্দ্রীয় সংসদের উদ্যোগে সকালে র্যালি হয়েছে। কেউ যদি কেন্দ্রীয় সংসদের নাম দিয়ে র্যালি করে তা হচ্ছে ছাত্র ইউনিয়কে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলতে। দুপুরের র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন—ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নজির আমিন চৌধুরী জয়, কে এম মুত্তাকী, সহকারী সাধারণ সম্পাদক তামজিদ হায়দার চঞ্চল, ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক অনুপম অমি, সাবেক সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, সাবেক সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, ঢাকা মহানগর সংসদের সাবেক সভাপতি গোলাম রাব্বী খান, ঢাকা মহানগরের সাবেক নেতা আশিকুল ইসলাম জুয়েলসহ অন্য সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ।
এদিকে বিকালে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শহিদ মিনার এলাকার দিকে যায় র্যালিটি। সেখানে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি তাহসীন মল্লিক শপথ পাঠ করান। পরে সেখান থেকে ডাচ চত্বরে রাজু স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানায় নেতৃবৃন্দ। সন্ধ্যায় ফানুস উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করে তারা। সমাবেশে কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নজির আমিন চৌধুরী বক্তব্য দেন।
