মঠবাড়িয়ায় হাটবাজারে মানা হচ্ছে না বিধিনিষেধ

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২১, ২১:১১

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

করোনা সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধের মধ্যেই মঠবাড়িয়ায় বসছে সাপ্তাহিক হাট। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এ হাটে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। গা ঘেঁষাঘেঁষি করে চলাচল করছে মানুষ। হাটে আসা অধিকাংশের মানুষের মুখেই নেই মাস্ক। সরেজমিনে এমন চিত্রই দেখা যায়। মঠবাড়িয়া বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক শামসুল হাসান খোকা বলেন, আমাদের আলাদা কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয় নাই। তবে মাইকিং করে জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলা হচ্ছে। উপকূলের এ সাপ্তাহিক হাটে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মানুষজন ছুটে আসছে। লকডাউনের কোনো নীতিমালা মানা হচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঊর্মী ভৌমিক বলেন, নীতিমালা উপক্ষো করে যারা হাটে মানুষের সমাগম ঘটিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নাটোর প্রতিনিধি জানান, বিধিনিষেধ মানার ব্যাপারে নাটোরে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। রিকশাচালক মজিদুল, ভ্যানচালক আশরাফ ও অটোচালক শফিক বলেন ১ম ধাপের লকডাউনের পরে গাড়ি বের করলেও যাত্রী পাইতাম না। এখন ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ওয়ার্কশপের মালিক মোল্লা, বইয়ের দোকানি সাগর, ফুটপাতের চা বিক্রেতা জয়-নজরুল, ভাজাপোড়া বিক্রেতা ময়েজসহ অনেকেই বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই।

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, নির্দেশনা অনুযায়ী শুধু গণপরিবহন, অফিস-আদালত বন্ধ থাকলেও সৈয়দপুরে অন্যান্য বিধিনিষেধ পালন হতে দেখা যাচ্ছে না। শহরে বসছে বাজার। শহরজুড়ে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা চলাচল করছে অবাধে। মানুষজন মাস্ক ছাড়াই অবাধে চলাচল করছে। শহরের পুরোনো বাবুপাড়ার বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সারা দেশে যে হারে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে লকডাউনের প্রয়োজন। সৈয়দপুর রেলওয়ে বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সাজু জানান, গত বছরের মার্চ থেকে শুরু হওয়া করোনার প্রভাবে ব্যবসা বাণিজ্যে বড় ধরনের লোকশান হয়েছে। সে ক্ষতি এখনো সামাল দিতে পারেননি। ঈদের বাজারে ব্যবসা করতে না পারলে কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাসিম আহমেদ বলেন, করোনা সংক্রমণ সামাল দিতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসন মাঠে রয়েছে। যেখানে আইনের ব্যত্যয় ঘটবে সেখানেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানাও করা হচ্ছে।