রমজান উপলক্ষ্যে স্বাভাবিকভাবেই ফলের চাহিদা বেশি থাকে। তাছাড়া করোনা মহামারির এই পরিস্থিতিতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বেশি ফল খাওয়া প্রয়োজন। তরমুজ জনপ্রিয় দেশীয় ফল। এই ঋতুতেই তরমুজ উত্পাদন হয়। তরমুজের রয়েছে অসংখ্য পুষ্টিগুণ, যা শরীরের জন্য খুব উপকারী। পানীয় ও সুস্বাদু ফল হওয়ায় এটার চাহিদাও বেশ। কিন্তু প্রায়ই দেখা যায় উপযুক্ত দাম না পেয়ে চরম ক্ষতিগ্রস্ত তরমুজ চাষিরা। অন্যদিকে বাজারে কিনতে গেলে তরমুজের চড়া দাম। কৃষক একটি তরমুজ ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। অন্যদিকে বাজারে সেটির দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এখানে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। আর বর্তমানে ব্যবসায়ীদের নতুন সিন্ডিকেট কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছে। ব্যবসায়ীরা কৃষকের কাছ থেকে পিস হিসাবে তরমুজ কিনে বিক্রি করছেন কেজি দরে। তরমুজ পানীয় ফল হওয়ায় ওজনে অনেক ভারী। ফলে প্রতি কেজি তরমুজ ২৫-৫০ টাকায় বিক্রি করেও হচ্ছে মোটা অঙ্কের মুনাফা। কেজি দরে তরমুজ বিক্রির সিন্ডিকেট বন্ধ করা প্রয়োজন।
আনিসুর রহমান
পাইককান্দি, বালিয়াকান্দি,
রাজবাড়ী
