সারা দেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য নিয়ে বিভিন্ন আন্দোলনের মুখে ৯-২-২০২০ তারিখে শুধু ডিগ্রি/স্নাতক দ্বিতীয় শ্রেণিদের জন্য ১৩তম গ্রেড প্রদান করা হয়। এদিকে এক বছরের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও সেই ১৩তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ হচ্ছে না। উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসগুলোতে শিক্ষকরা যোগাযোগ করলে নানা তালবাহানা করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। শিক্ষক-নেতারা উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করলে বলা হয়—অন্যান্য জেলা উপজেলা শুরু করলে আমরা করবো। এরকম দায়সারা উত্তরের পর শিক্ষকরা একটু চাপ দিয়ে কথা বললে উলটো ভয় দেখিয়ে বলা হয় যে, বেশি চাইলে বা চাপ দিলে আরো দু-এক বছর লেগে যেতে পারে। প্রতিটি উপজেলায় ১৩তম গ্রেডের ফিক্সেশন দেরিতে হওয়ার শিক্ষকরা সেই ১৫তম গ্রেডের মূল বেতন অনুযায়ী উত্সবভাতা পেলেন, এতে করে একেকজন শিক্ষক প্রাপ্য অধিকার বর্ধিত উত্সবভাতা থেকে বঞ্চিত হলেন। ২০০/৩০০/৫০০ টাকা করে উত্সবভাতা কম পেয়েছেন তাঁরা।
উপজেলাভিত্তিক হিসাব করলে এ টাকা দাঁড়াবে কয়েক লাখে। কথা হলো, আমার প্রাপ্য অধিকারটুকু উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের ব্যর্থতায় পাওয়া হলো না। এতে করে সারা দেশের শিক্ষকরা কোটি কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত হলেন। আগামী ঈদুল ফিতরের বোনাস দেওয়ার আগে ১৩তম গ্রেডের ফিক্সেশন করা শেষ না হলে প্রত্যেক শিক্ষক ১০০০/১৫০০ টাকা করে ঈদ বোনাস থেকে বঞ্চিত হবেন। অতএব সারা দেশের শিক্ষকদের প্রাপ্য অধিকারটুকু নিশ্চিত করে আর্থিক ক্ষতি থেকে মুক্তি দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. জামিল বাসার
সহকারী শিক্ষক,
বওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,
ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
