আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে কারো সঙ্গে বিশেষ কোনো সম্পর্কের দরকার নেই। জনগণকে বাঁচাতে যেখান থেকেই পারে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করবে সরকার। গতকাল বুধবার সকালে বনানী কবরস্থানে শহিদ শেখ জামালের ৬৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ও পরে আওয়ামী লীগের পক্ষে দলের নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে শেখ জামালের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জনগণকে বাঁচাতে আমাদের ভ্যাকসিন দরকার। যেখান থেকে ভ্যাকসিন পাব, সেখান থেকে সংগ্রহ করব। এখানে কারো সঙ্গে বিশেষ কোনো সম্পর্কের দরকার নেই। ভ্যাকসিন দরকার ভ্যাকসিন নেব।’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দোষারোপের রাজনীতি পরিহার করে দলমত-নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে সবার অভিন্ন শত্রু করোনাকে মোকাবিলা করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শেখ জামালের জন্মদিনে শপথ হোক—বাংলাদেশে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির ট্র্যাজেডি থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে হবে। তিনি বলেন, যে যেই দলই করুক, হত্যার রাজনীতি কারো কাম্য নয়। যারা পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িত ছিলেন, তারাও কিন্তু রেহাই পাননি। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে শেখ জামালের সমাধিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মত্স্যজীবী লীগ, মহিলা শ্রমিক লীগ, শেখ জামাল জাতীয় স্মৃতি পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়
প্রস্তুত থাকতে হবে
এদিকে গত মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে জাতীয় দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নির্দেশ রয়েছে। বর্তমানে আমাদের সামনে দুটি চ্যালেঞ্জ। এক. করোনা মহামারির দ্বিতীয় তরঙ্গ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা এবং দুই. সাম্প্রদায়িক ও ধর্মান্ধ গোষ্ঠীসহ রাষ্ট্রবিরোধী সব গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র ও তথ্যসন্ত্রাস মোকাবিলা করা।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির সদস্যসচিব ড. সেলিম মাহমুদ, প্রফেসর মাহফুজুর রহমান, ড. শাহজাহান মাহমুদ, সাজ্জাদুল হাসান, প্রফেসর হেলালুদ্দীন নিজামী, প্রফেসর ড. বিশ্বজিত্ চন্দ, ব্রিগেডিয়ার ডা. মা. শাহজাহান, নওশের রহমান, প্রফেসর ড. অসীম সরকার, ডা. জাহানারা আরজু, ড. মোহাম্মদ শামসুর রহমান, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা, আমেনা কোহিনুর, আতাউল মাহমুদ, সৈয়দ আবু তোহা, অ্যাডভোকেট আরেফা পারভীন তাপসী, শেখ আদনান ফাহাদ, রায়হান কবির, ফাহিম শাহরিয়ার, রকিবুদ্দিন আহমেদ ঢালী, মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, রাজীব হোসেন প্রমুখ।
