জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বেজেছিলো ইবনে রাজনের গান

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৪৮

বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে (প্যারেড গ্রাউন্ডে) জাতীয় সংগীতের পরেই গ্র্যান্ড ওপেনিং হয় ইবনে রাজনের সংগীত পরিচালনা করা গান দিয়ে, যা বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর শিশুরা পরিবেশন করেছে। মুজিব বর্ষেরর এই অনুষ্ঠানের বেশ কয়েকটি নৃত্য যেমন- ‘আমরা নূতন যৌবনেরই দূত’, ‘আলো আমার আলো’ ইত্যাদি গান তার সংগীত পরিচালনায় হয়েছে।

ইবনে রাজন বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত শিল্পী এবং সংগীত পরিচালক। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলে তিনি নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করে থাকেন। ২০১২ সালে শিল্পী সানি যুবায়েরের সাথে আমেরিকায় কি-বোর্ড বাজানো ও গানের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ ভ্রমণ শুরু করেন। 

তিনি আন্তর্জাতিক মহলে তার সংগীত পরিবেশনার জন্য আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, কুয়েত, শ্রীলংকা, ইন্ডিয়া, নেপাল, দুবাই, সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, বাহরাইন, কাতারসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।

শিক্ষা সপ্তাহ জাতীয় পুরস্কারসহ (গোল্ড মেডেল) ইবনে রাজন তার জীবনে সংগীতের কৃতিত্ব হিসেবে প্রায় ৭০০ এর বেশি সার্টিফিকেট ও পুরস্কার পেয়েছেন। 
দেশের নামকরা গীতিকার ও পরিচালকদের সাথে সিনেমা, নাটক ও মিউজিক ভিডিও সংগীত পরিচালনার কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত বিভাগের শিশু দলের ট্রেইনার হিসেবেও নিযুক্ত আছেন।

বগুড়া জেলায় এক সম্ভ্রান্ত সংগীত পরিবারে ইবনে রাজনের জন্ম। ১০ ভাই বোনের মধ্যে আট নাম্বার। পরিবারের সবাই সংগীতের কোন না কোন বিষয়ে পারদর্শী। ইবনে রাজনের বাবা-মা ও ছিলেন সংগীতশিল্পী।

তিনি ঢাকা সংগীত কলেজ থেকে নজরুল সংগীত ও উচ্চাঙ্গ সংগীত বিষয়ে আই মিউজ ও বি মিউজ কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন। সেখানে গুরু হিসেবে ছিলেন শ্রদ্ধেয় খালিদ হোসেন, সাদি মোহাম্মাদ , ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, মিনা বড়ুয়া, শামিমা পারভিন, জহির আলিম সহ আরও অনেক প্রথিতযশা গুরুজন। তবে মুল গুরু হিসেবে আছেন সুমন চৌধুরী ও খাইরুল আনাম শাকিল।

ভবিষ্যতে তিনি দুঃস্থ শিল্পীদের জন্য চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান ও পিতা মাতার স্মরণে একটি চ্যারিটি হসপিটাল প্রতিষ্ঠা করতে চান।

ইত্তেফাক/বিএএফ