ইত্তেফাক রিপোর্ট
বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি পোশাক শিল্পে দিনে দিনে ম্যান মেড ফাইবার বা কৃত্রিম তন্তুর ব্যবহার বাড়ছে। তুলার তৈরি সুতা কিংবা কাপড় আমদানিতে সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে আর তিন টাকা ভ্যাট রয়েছে। দিনে দিনে কৃত্রিম তন্তুর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কটন সুতার মতো এ ধরনের সুতার আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট কমানোর দাবি করেছেন উদ্যোক্তারা। এ দাবিতে বস্ত্র ও পোশাক খাতের তিন সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ অর্থমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
গত রবিবার পাঠানো এ চিঠিতে টেক্সটাইল খাতের স্পিনিং, ফেব্রিক ম্যানুফেকচারিং ও ডায়িং, প্রিন্টিং, ফিনিশিং মিলে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আমদানিকৃত যন্ত্রাংশকে মূলধনী যন্ত্রপাতির ন্যায় এক শতাংশ শুল্কে আমদানির অনুমতি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে টেক্সটাইল খাতের স্পিনিং মিলগুলোতে বর্তমানে কাঁচামাল হিসেবে কাঁচা তুলাসহ বিভিন্ন ধরনের ফাইবার (কৃত্রিম তন্তু) ব্যবহার হচ্ছে। এর মধ্যে পিএসএফ, ভিএসএফ, টেনসিল, মোডাল, স্পানডেক্স অন্যতম। ব্যবহার বাড়তে থাকায় এ ধরনের তন্তুর ওপর থেকে বিদ্যমান কটন সুতার ন্যায় তিন টাকা হারে ভ্যাট ধার্য করার অনুরোধ জানানো হয়। বর্তমানে কটন সুতার চেয়ে কৃত্রিম তন্তুর ওপর ভ্যাট হার বেশি।
এছাড়া চিঠিতে বলা হয়, যেসব কোম্পানির কাছ থেকে মেশিনারিজ আমদানি করা হয়ে তাকে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঐ কোম্পানির কাছ থেকে পরবর্তী সময় প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশও আমদানি করতে হয়। এসব যন্ত্রাংশ গার্মেন্টস ও টেক্সটাইলের বাইরে অন্যান্য শিল্পের ব্যবহারের সুযোগ নেই। কিন্তু এসব যন্ত্রাংশের ওপর ২৬ দশমিক ২ শতাংশ থেকে প্রায় ১০৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ককর ধার্য রয়েছে।
