প্রধানমন্ত্রী বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন :কাদের

আপডেট : ০৫ মে ২০২১, ২২:১৩

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্যোগ-দুর্বিপাকে বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন ’৭৫ পরবর্তীকালে কোনো সরকারপ্রধান বা রাজনৈতিক নেতা এমন নজির স্থাপন করতে পারেননি। গতকাল বুধবার সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি আয়োজিত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ ও অসহায়-দরিদ্র মানুষের মধ্যে খাদ্যসহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেতুমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটা দল সরকারের বিরুদ্ধে গলাবাজি করছে। তাদের আর কোনো কাজ নেই। করোনার এই দুঃসময়ে তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে—এমন একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেনি, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তা করে দেখিয়েছে।’ তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু একটা দল ঢাকায় বসে শুধু লিপ সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। তারা একেক সময় একেক আন্দোলনের ওপর ভর করে ষড়যন্ত্রমূলক তত্পরতায় লিপ্ত। তারা করোনার এই পরিস্থিতিতেও সহিংসতায় উসকানি দিচ্ছে।

সারা দেশে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ক্যাম্পেইন করার ওপরও গুরুত্বারোপ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, লকডাউনে অনেকেই চোরাইপথে আসা-যাওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন। সম্প্রতি পদ্মায় স্পিডবোট-ডুবিতে ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সরকারকে ফাঁকি দেওয়া যায় কিন্তু মৃত্যুকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। ঈদে ঘরমুখো মানুষের উদ্দেশ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকি নিলে উত্সবের আগেই মৃত্যুর ট্র্যাজেডি অনিবার্য হয়ে পড়ে। কাজেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করবেন না। উত্সব-আনন্দের কী দাম আছে যদি জীবন থেকেই দূরে সরে যেতে হয়। বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতে অনেক উত্সব-আনন্দ করা যাবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে, আগে জীবন পরে জীবিকা।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেন, আওয়ামী লীগ দুর্গত মানুষের পাশে। করোনার মতো ভয়ংকর ভাইরাসের মধ্যেও সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ত্রাণ দিচ্ছেন।

এ সময়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী ও আবদুর রহমান, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল এমপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।