টোকিও অলিম্পিকে আরো ওয়াইল্ড কার্ডের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

আপডেট : ০৬ মে ২০২১, ২১:৪২

প্রথম ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়া লন্ডন প্রবাসী জুনাইনা

 স্পোর্টস রিপোর্টার

টোকিও অলিম্পিক গেমসের জন্য বাংলাদেশ আরো ওয়াইল্ড কার্ডের অপেক্ষা করছে। ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়াটা নির্ভর করে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির ওপর। বাংলাদেশ তার প্রয়োজনটা বলতে পারে। সেটা নির্ভর করছে আইওসির ওপর। সংখ্যায় সেটা ৬টা হতে পারে ৮টাও হতে পারে। বাংলাদেশ মনে করছে ৮টা ওয়াইল্ড কার্ড পেতে পারে যদি আইওসি অনুমোদন দেয়। ওয়াইল্ড কার্ডের জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) যাদের নাম পাঠিয়েছে তারা হচ্ছেন শ্যুটিংয়ে আব্দুল্লাহ হেল বাকি, সৈয়দা আতকিয়া হাসান। আরচারিতে ইতি খাতুন, মেহেনাজ আক্তার মোনেরা, বিউটি রায়। ভারোত্তোলনে মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। কারাতে হুমায়ারা আক্তার অন্তরা। বক্সিংয়ে রবিন মিয়া। এরই মধ্যে বিশ্ব সাঁতার সংস্থা হতে সাঁতারু  আরিফুল ইসলাম এবং জুনাইনা আহমেদকে ওয়াইল্ড কার্ড দেওয়া হয়েছে। বিওএ বলছে ফিনা সরাসরি বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশনকে ওয়াইল্ড কার্ড পাঠিয়েছে।

অ্যাথলেটিকস এবং সাঁতারে ওয়াইল্ড কার্ড চাওয়ার সুযোগ নেই। এটা আইওসি নির্ধারণ করে। তার পরও অ্যাথলেটিকসের জন্য একটা কার্ড চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। 

ওয়াইল্ড কার্ডের জন্য যেসব নাম পাঠানো হয়েছে তারা শেষবারের এসএ গেমসের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে সুযোগ পেয়েছেন বলে বিওএ জানায়। আরচারিতে যোগ্যতা অর্জন করে অলিম্পিকে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। তারপরও আরেকটি ওয়াইল্ড কার্ডের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ফেন্সিংয়ে বাংলাদেশ স্বর্ণপদক পেয়েছিল সুযোগ থাকলে এই খেলাটির জন্য ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়ার আবেদন করা হতো বলে বিওএ সূত্র জানায়।

২০১৬ রিও অলিম্পিক গেমেস গলফে বাংলাদেশের সিদ্দিকুর রহমান সরাসরি খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন।এবার টোকিও অলিম্পিকে রোমান সানা কোয়ালিফাই করে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। যদিও শেষ মুহূর্তে রোমান সানা তার যোগ্যতা অনুসারে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। অন্য কেউ ভালো স্কোর করলে রোমান সানা বাদ পড়তে পারেন টোকিও অলিম্পিক হতে। কোয়ালিফাই করে যোগ্যতা দিয়ে অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করতে হয়। যারা যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হন তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার নাম হচ্ছে ওয়াইল্ড কার্ড। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে দুশ্চিন্তার খবর হচ্ছে মহামারি করোনা যেভাবে পৃথিবীটা গ্রাস করছে তাতে শেষ পর্যন্ত টোকিও অলিম্পিক হবে কি না, তা নিয়েও এখনো শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ২৩ জুলাই হতে ৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। তবে যেভাবে করোনা বেড়ে চলেছে আদৌ অলিম্পিক হবে কিনা এমন আশংকা উড়িয়ে দেয়া যায় না।