করোনা সংক্রমণ সৈয়দপুরে কাজে আসছে না বেসিন ও টানেল!

আপডেট : ০৬ মে ২০২১, ২২:১০

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর সৈয়দপুরে জনসমাগম হয় এমন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নির্মাণ করা হয় হাত ধোয়ার জন্য বেসিন। এছাড়া বসানো হয় স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক টানেল। কিন্তু দেশে করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না এলেও নির্মাণের এক বছরেই সেগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে বেসিন ও টানেল থাকলেও তা উপকারে আসছে না সাধারণ মানুষের।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, তারা উপজেলা চত্বর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের সামনে হাত ধোয়ার জন্য বেসিন নির্মাণ করেছিলেন। প্রতিটি বেসিন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৩০ হাজার ১০০ টাকা করে। সে হিসেবে তিনটি বেসিন নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছিল ৯০ হাজার ৩০০ টাকা। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে স্ব স্ব উদ্যোগেও বসানো হয় বেসিন।

সরজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত বেসিনে সাবান রাখার জায়গা থাকলেও নেই সাবান, নেই হাত ধোয়ার পানি। ভেতরে ধুলাবালু আর ময়লা জমে আছে। সেখানে বসানো স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক টানেলটিও অযত্নে এক কোনায় ফেলে রাখা হয়েছে। একই অবস্থা ১০০ শয্যা হাসপাতালেরও। সেখানকার বেসিনের ট্যাপ ভাঙা। নেই হাত ধোয়ার কোনো উপকরণ। ভেতরে ময়লা-আবর্জনায় ভরে থাকায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বেসিনটি। সরকারি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বেসিন দ্রুত সংস্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করার দাবি সচেতন মহলের। মানুষ যাতে বেসিন ব্যবহার করতে পারে সেদিকে কর্তৃপক্ষকে নজর দেওয়া উচিত। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলেমুল বাশার বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই সবাইকে ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা তথা ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত-মুখ ধুতে হবে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুস সালাম বলেন, যে যে অফিস বা প্রতিষ্ঠানের সামনে হাত ধোয়ার বেসিনগুলো নির্মাণ করা হয়েছে সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা তাদের দায়িত্ব। যদি বড় ধরনের কোনো সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আমরা তা দেখব।