বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জরুরি ব্যবহারের জন্য চীনা কোম্পানি সিনোফার্মের উদ্ভাবিত করোনা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রথম পশ্চিমা দেশের বাইরে কোনো দেশের করোনা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিল ডব্লিউএইচও।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এর আগে ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসন এবং মর্ডানার উত্পাদিত ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ডব্লিউএইচও। চীনের এই ভ্যাকসিনটি দুই ডোজের। এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটির প্রয়োগ হচ্ছে।
ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ করেছেন যে, ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের বয়সিদের দুই ডোজ প্রয়োগ করা যাবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চীনের আরেকটি ভ্যাকসিন সিনোভ্যাকও অনুমোদন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর রাশিয়ার ভ্যাকসিন স্পুিনক-ভির মূল্যায়ন এখনো চলছে।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, তার দেশের উদ্ভাবিত করোনা ভ্যাকসিন দেশটির বিশ্বখ্যাত একে-৪৭-এর মতোই নির্ভরযোগ্য। পুতিন বলেন, এটি আমরা বলছি না। এ কথা বলেছেন ইউরোপীয় বিশেষজ্ঞ। আমিও মনে করি, তিনি একেবারেই সঠিক। বৃহস্পতিবার দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী তাতিয়ানা গলিকভার সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্সে তিনি বলেন, প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে আমাদের ওষুধ উত্পাদিত হচ্ছে। এগুলো যে নির্ভরযোগ্য এবং নিরাপদ তাতে কোনো সন্দেহ নেই। উল্লেখ্য, বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ও ব্যবহূত আগ্নেয়াস্ত্র হলো একে-৪৭।
গত বছর চূড়ান্ত পরীক্ষার আগেই স্পুিনক-ভি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে রাশিয়া। যদিও গত ফেব্রুয়ারিতে দ্য লানসেট জার্নালে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনটি নিরাপদ এবং কার্যকারিতার হার ৯১ শতাংশ।
