ইত্তেফাক রিপোর্ট
মালিক-শ্রমিক-নাগরিক সমাজ সব পক্ষ মিলেই আইএলও কনভেনশন ১৯০ রেটিফাই-এর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে প্রতিটি শ্রমিকের হয়রানি বন্ধে চলমান কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধে ইতিমধ্যেই গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন কল-কারখানাতে অনেক ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তনও শুরু হয়েছে। সম্প্রতি কেয়ার বাংলাদেশ এবং উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত ‘কর্মক্ষেত্রে হয়রানি এবং আইএলও কনভেনশন ১৯০ এর বাস্তবায়ন বিষয়ক’ এক কনসালটেশন সভায় গার্মেন্টস শিল্প কলকারখানার মালিক বক্তারা এ কথা বলেন। উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারম্যান ড. আতিউর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিজিএমইএর সদ্য নির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বিইএফ-এর মহাসচিব ফারুক আহমেদ। সভায় ড. আতিউর রহমান বলেন, সকল অংশীজনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে এমন একটি রোডম্যাপ করা চাই যেটা অনুসরণ করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষে আএলও ১৯০-তে অনুসমর্থন দেয়া সম্ভব হয় এবং এর বাস্তবায়ন আরম্ভ করা যায়। অবশ্যই এই প্রক্রিয়ায় সব সময় মাথায় রাখতে হবে আমাদের দেশীয় বাস্তবতা আর বিশ্ব বাজারের প্রতিযোগিতায় ভালো করার কথা। কনসালটেশন সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএর পরিচালক, আরশাদ জামাল দীপু, ভিদিয়া অমৃত খান, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের হেড অফ এডমিন জাহিদুল আলম, এক্সপ্রেস লেদার এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জামিল ইসলাম, রুপা ফাব্রিক্স-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদুল ইসলাম, বিকেএমইর পরিচালক ফজলে শামীম এহসান, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরুল আহসান, বিলসের পরিচালক কোহিনুর মাহমুদ, গ্রীণ বাংলা গার্মেন্টস ওয়াকার এসোসিয়েশনের সভাপতি সুলতানা বেগম সহ অন্যান্যরা।
