বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে ২০১৯ সালে সম্পাদিত গুচ্ছ জরিপের তথ্য অনুযায়ী দেশের ১১ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সম্পাদিত ২০০৩ সালের সর্বশেষ সমীক্ষায় ২৯ শতাংশ নলকূপের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর বিগত ১৭ বছরে আর্সেনিকদূষণের ওপর আর কোনো পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা হয়নি। এই নীরব ঘাতকের বিষক্রিয়া তথা আর্সেনিকোসিসে আক্রান্ত মানুষের হালনাগাদ তথ্যসহ যথাযথ চিত্র খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছেই অনুপস্থিত। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৫৪ জেলার নলকূপের পানিতে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি আর্সেনিক থাকার সংবাদটি রীতিমত উদ্বেগজনক। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ক্রমিক-৬ অভীষ্টে পরিষ্কার, নিরাপদ ও সুপেয় পানির সহজপ্রাপ্যতার কথা উল্লেখ রয়েছে। এসডিজি-২০৩০ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অংশ হিসেবে এবং গণবিষখ্যাত আর্সেনিকমুক্ত পানি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দায়িত্বশীল সংশ্লিষ্ট সমস্ত দপ্তর শিগগির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কি?
ওয়ারেছ আলী খান
সদর উপজেলা মোড়, নরসিংদী ১৬০২
