বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুত্ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সঞ্চালন ব্যবস্থা টেকসই করতে দ্রুততার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ করতে হবে। বিদ্যুতের উত্পাদন খরচ ও খুচরা দামের মধ্যে এখনো ১ টাকা ১৬ পয়সা ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) দক্ষ হলে এই ঘাটতি কমে আসবে। পিডিবিকে ধীরে ধীরে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। গতকাল ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘আসন্ন জাতীয় বাজেট ২০২১-২২: বিদ্যুত্ উত্পাদনকারীদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুত্ প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে বেসরকারি খাতে বিদ্যুত্ উত্পাদন নীতিমালা গ্রহণ করেছিলেন। তার জন্যই আজ বেসরকারি উদ্যোগে ৯১টি বিদ্যুেকন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুত্ উত্পাদনের সক্ষমতা ৯ হাজার ৪৭৩ মেগাওয়াট হয়েছে যা মোট বিদ্যুত্ উত্পাদন সক্ষমতার ৪৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইপিপিএ)-এর পক্ষে সংস্থাটির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাম্মেল হোসেন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বিদ্যুত্ খাতে বেসরকারি বিদ্যুত্ উত্পাদনকারীদের অবদান উল্লেখ করে স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রশন ফি, অগ্রিম কর, এইচএফও-এর ওপর ৩৪ শতাংশ আমদানি শুল্ক, বিলম্বে বিল প্রদান, পরিবেশগত সনদপত্র, স্টোরেজ ট্যাংকের ভাড়া বিষয়ে বিদ্যুত্ বিভাগের সহযোগিতা কামনা করেন।
এফইআরবির চেয়ারম্যান অরুণ কর্মকারের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক শামীম জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুত্ সচিব মো. হাবিবুর রহমান, পিডিবির চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন ও বাংলাদেশ ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরান করিম।
