বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজদ্দৌল্লার পরাজয়ে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তার নামটি আজ গালি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সেই মীর জাফর চরিত্রেই অভিনয় করেছেন রাশেদ সীমান্ত। মীর জাফর নামের কারণেই প্রতি পদে পদে হেনস্থার শিকার হন নাটকের নায়ক রাশেদ সীমান্ত।
সুবাতা রাহিক জারিফার চিত্রনাট্যে এবং সাজিন আহমেদ বাবুর পরিচালনায় ‘আমি মীরজাফর’ নটকে আরো অভিনয় করেছেন নীলাঞ্জনা নীলা, খায়রুল বাশার, কাজী উজ্জ্বলসহ অনেকে।
মূলত, মীর জাফর বিশ্বাসঘাতক নয়, তিনি হলেন মীর জাকির। অত্যন্ত ভদ্র এবং মেধাবী একজন মানুষ। তার নাম সার্টিফিকেটে ভুলবশত মীর জাকির থেকে মীর জাফর হওয়ার ফলে সকলের কাছে এখন হাসি-তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছেন। ব্যক্তি জীবনে সে খুব সৎ এবং নিষ্ঠাবান হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র মীর জাফর নাম হওয়ার কারণে তাকে নানা জায়গায় অপদস্থ হতে হয়। তার ভালোবাসার মানুষ শাহাজাদীও মীর জাফরকে নানাভাবে প্রেশার দিতে থাকে তার নাম পরিবর্তনে। মীর জাফর শাহাজাদীকে বুঝানোর চেষ্টা করে নাম এফিডেভিট করলে অনেক ঝামেলায় পড়তে হবে তাকে।

এদিকে শাহাজাদীর বাবা মা তার বিয়ে ঠিক করে এক আমেরিকান প্রবাসীর সাথে কিন্তু শাহাজাদী মীর জাফর ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করতে রাজি নয়। শুরু হয় দ্বন্দ্ব। শাহাজাদীর পরিবার থেকে তাদের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য একটি সুযোগ দেওয়া হয় যদি মীর জাফর তার নাম পরিবর্তন করে এবং একটি ভালো চাকরী ম্যানেজ করতে পারে তবেই তাদের বিয়ে হবে। মীর জাফর কি নাম পরিবর্তন করতে পারে? শাহাজাদী আর মীর জাফরের কি বিয়ে হয়? জানতে প্রচার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
রাশেদ সীমান্ত বলেন, ‘আমি মীর জাফর’ নাটকের গল্প অসাধারণ, আছে চরিত্রের বৈপরিত্য। সবমিলিয়ে ঈদের এ নাটকটিতে কাজ করে অনেক ভালো লেগেছে আমার। আমার যারা দর্শক তাদেরও নাটকটি ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।
ঈদের নাটকটি বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে ঈদের তৃতীয় দিন রাত ৮টা ১০ মিনিটে।
ইত্তেফাক/বিএএফ
