গাছে ঝুলছে থোকা থোকা লিচু

আপডেট : ০৯ মে ২০২১, ২১:৪৬

মোহাম্মদ ইলিয়াছ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসের মধু ফল লিচুর ভালো ফলন হয়েছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের তিন উপজেলা সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও বাঁশখালীতে।  গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে থোকা থোকা লিচু। বাঁশখালী উপজেলার জলদী, চেচুরিয়া, বৈলছড়ি, কালীপুর, সাধনপুর, বাণীগ্রাম ও পুকুরিয়া, সাতকানিয়া উপজেলার গারাঙ্গিয়া, এওচিয়া, সোনাকানিয়া, জোটপুকুরিয়া, চরতি, ছনখোলা ও ছদাহা এবং লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া, চুনতি, পুটিবিলা, পদুয়া, চরম্বা ও কলাউজানে পাহাড়ি অঞ্চলে, রাস্তার দুই ধারে শোভা পাচ্ছে সারি সারি লিচু বাগান। এছাড়াও এসব উপজেলার বসতবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় দুয়েকটি লিচু গাছ আছেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার পাহাড়ি অঞ্চল ও লোকালয়ে শত শত লিচু গাছ রয়েছে। বাঁশখালীর কালীপুরে ৩০০ হেক্টরসহ পুরো উপজেলায় ৬০০ হেক্টরে লিচুর চাষ হয়েছে। বাঁশখালীর কালীপুরে লিচুর স্থানীয় জাত ছাড়াও রাজশাহীর বোম্বে, বারি ও চায়না-৩ জাতের লিচু দেখা যায়। ইতিমধ্যে দূর-দূরান্ত থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা লিচু কেনার জন্য কালীপুরে আসতে শুরু করেছে। অনেকেই শত শত লিচু বাগান আগাম খরিদ করেছে। বর্তমানে বাজারে দেখা যাচ্ছে পাকা লিচু। প্রতি শত লিচু ৩০০-৫০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে লোহাগাড়া উপজেলায় ৫০ হেক্টরে লিচুর চাষ হয়েছে। লোহাগাড়ার চাষি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, তার ১০ একর জায়গায় লিচুর বাগান রয়েছে। তার বাগানে লিচু পাকতে শুরু করেছে। লিচু গাছে ফুল এলে পোকা-মাকড় থেকে রক্ষার জন্য কীটনাশক ছিটালে ভালো ফলন পাওয়া যায়। এছাড়াও থোকা থোকা পাকা লিচু ঝুলার সময়ে বাদুড় থেকে রক্ষার জন্য গাছে টিনের পাত্র বেঁধে দিতে হয়। লোহাগাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মনিরুল ইসলাম জানান, এ তিন উপজেলায় প্রচুর লিচু গাছ জন্মেছে এবং লিচুর উত্পাদনও ভালো হয়েছে। এলাকায় পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।