রমজান মাসে ভেজাল দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। ভেজাল খাদ্য একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, অন্যদিকে ইসলামের শরীয়ত মতেও চরম অন্যায়। অনেক নামি-দামি ব্র্যান্ডের পণ্যে ভেজাল রয়েছে, আদালত তার প্রমাণ পেয়েছেন। আদালত বলেন, ভেজাল পণ্য রোধ বা জব্দ করার কাজ সরকারের। বিএসটিআইয়ের তালিকাতেও অনেক নামিদামি ব্র্যান্ডের নাম এসেছে যারা ভেজাল পণ্য সরবরাহ করে। কিন্তু বিএসটিআই তাদেরকে শুধু শোকজ করেই দায়িত্ব শেষ করেন। ভেজাল খাদ্য শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাজার থেকে তুলে নেওয়া উচিত। খাদ্যদ্রব্য উত্পাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণ প্রতিটি ক্ষেত্রে গুণগতমান নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। তাই খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ প্রতিরোধে কর্তৃপক্ষীয় বিশেষ নজরদারি রাখা প্রয়োজন। ভেজালকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হোক।
মিযানুর রহমান
নাজিরপুর, পিরোজপুর
