সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর:বৃটিশ শাসন

আপডেট : ১১ মে ২০২১, ২১:১০

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

মিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

 

 

পলাশীর যুদ্ধ

 

তোমরা প্রথমে মনোযোগ দিয়ে অধ্যায়টি পড়বে।

প্রশ্ন-১:বৃটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের নাম কী?

উত্তর:বৃটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের নাম ছিল ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ।

প্রশ্ন-২:ভারতবর্ষ ভাঙ্গার ফলে কী হয়েছে?

উত্তর:১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাঙ্গার ফলে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

প্রশ্ন-৩:বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের সময়ে ইংরেজ বণিকদের বাণিজ্য সংস্থার নাম কী ছিল?

উত্তর:বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের সময়ে ইংরেজ বণিকদের বাণিজ্য সংস্থার নাম ছিল বৃটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি।

প্রশ্ন-৪:পলাশীর যুদ্ধের পরে কী হয়েছিল?

উত্তর:পলাশীর যুদ্ধের পরে বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনা হয়েছিল।

প্রশ্ন-৫:পলাশীর যুদ্ধ কার কার মধ্যে সংঘটিত হয়?

উত্তর:পলাশীর যুদ্ধ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ইংরেজদের মধ্যে সংঘটিত হয়।

প্রশ্ন-৬:ইংরেজরা ছাড়া আর কারা বাংলায় বাণিজ্য করতে আসেন?

উত্তর:ইংরেজরা ছাড়া পর্তুগিজ, ডাচ, দিনেমার ও ফরাসিরা বাংলায় বাণিজ্য করতে আসেন।

প্রশ্ন-৭:১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত কারা বাংলা শাসন করেন?

উত্তর:১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা শাসন করেন।

প্রশ্ন-৮:বৃটিশদের ‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতির ফলে কী হয়েছিল?

উত্তর:বৃটিশদের ‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতির ফলে ধর্ম, বর্ণ, জাতি এবং অঞ্চলভেদে মানুষের মধ্যে জাতিগত বৈষম্য সৃষ্টি হয় এবং ইংরেজদের স্বার্থ হাসিল হয়।

প্রশ্ন-৯:‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতি বলতে কী  বোঝ?

উত্তর:ভারতীয় উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিলো ‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতি। এ নীতির ফলে ধর্ম, বর্ণ, জাতি এবং অঞ্চলভেদে মানুষের মধ্যে জাতিগত বৈষম্য সৃষ্টি হয়।