ফারাক্কা দিবসের আলোচনায় বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
গতকাল ১৬ মে ছিল ‘ফারাক্কা দিবস’। এ উপলক্ষ্যে গতকাল রবিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় বক্তারা বলেছেন, নদীতে প্রবাহ না থাকায় উপকূলীয় অঞ্চলের পানি লবণাক্ত হয়ে যাচ্ছে।
আলোচনাসভায় সভাপতিত্বকারী ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মওলানা ভাসানী নিজের দেশের সংস্কৃতি ও স্বার্থ নিয়ে সোচ্চার ছিলেন। সবসময় তিনি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বলেন, কয়েক দিন যাবত গাজায় শিশু ও মানুষ হত্যা, নির্মমতা, নিষ্ঠুরতা চলছে। মুসলিম রাষ্ট্র কেউ কেউ ইহুদিদের নির্মমতায় নীরব এসময়ে যদি মুসলিম রাষ্ট্রগুলো নিজেদের ঝগড়া ভুলে গিয়ে এক হয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াত তাহলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া যেত। তাদের হামলা থেকে শিশু ও সংবাদ মিডিয়া কেউ বাদ যায়নি।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ঈদের আগে গণপরিবহন বন্ধ রাখা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। এতে মানুষের কষ্ট হয়েছে। সরকারের উচিত হবে ইন্টারডিস্ট্রিক্ট বাস ও ট্রেন চালু করা। ঢাকায় ফেরা সবার টেস্টের ব্যবস্থা করতে হবে। আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির সভাপতি, পরিবেশবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন আহমেদ কানাডা থেকে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। জাতিসংঘের সাবেক পানি বিশেষজ্ঞ ড. এস আই খান বলেন, একটা দেশ স্বাধীন হতে পারে, কিন্তু নিজস্ব সম্পদের ওপর অধিকার না থাকলে সে দেশ সার্বভৌম নয়। নদীতে প্রবাহ না থাকায় উপকূলীয় অঞ্চলের পানি লবণাক্ত হয়ে যাচ্ছে।
দৈনিক নিউ নেশন সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার বলেন, সময়টা হলো সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্টের। ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, লাখ লাখ মানুষ সেদিন একত্র হয়েছিল ভাসানীর ডাকে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ২০১৪ সালে আমরা তিস্তা অভিমুখে রোডমার্চ করেছিলাম। এর আগেও হয়েছিল। ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ভাসানীর মতো একজন মজলুম জননেতা আজ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দরকার।
