ফতুল্লায় যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে পড়ে ডুবে যাওয়ার ১১ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম। এ সময় ঐ মাইক্রোবাসে থাকা এক প্রবাসীর শিশু সন্তানসহ স্ত্রী ও চালককে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিত্সা কেন্দ্রে নিয়ে চিকিত্সা দিয়েছে। রবিবার রাতে ফতুল্লার বক্তাবলী ফেরিঘাটে সকালে এ ঘটনা ঘটলে রাতে ডুবে যাওয়া গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। মাইক্রোবাসের মালিক শাহীন মিয়া জানান, তার বাড়ি বক্তাবলীর প্রসন্ননগর। তার গাড়িটি ভাড়ায় চলে। সকালে প্রসন্ননগরের এক নারী তার বিদেশফেরত স্বামীকে বিমানবন্দর থেকে আনতে গাড়িটি ভাড়া করেন। সকাল ১০টায় গাড়ির চালক সাদেক ঐ নারী ও তার শিশু সন্তানকে নিয়ে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে প্রসন্ননগর থেকে রওনা হন। বক্তাবলী ফেরিঘাটে এসে ফেরির জন্য অপেক্ষা করছিলেন চালক। তখন শিশুসহ ঐ নারী গাড়িতে বসেছিলেন এবং চালক সাদেক গাড়ি চালু রেখে ফেরির অপেক্ষায় গাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সে সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উঁচু সড়ক থেকে গাড়িটি দ্রুত ফেরির দিকে ছুটে নদীতে ডুবে যায়। আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে নদীতে নেমে শিশুসহ নারীকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিত্সা দেয়। ঐ নারীর পরিচয় জানা যায়নি। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, গাড়িটি নদীতে ডুবে গিয়েছিল। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি এসে গাড়িটি উদ্ধার করে।
