ঈদুল ফিতরের পূর্বাপর পিরোজপুর শহর ও একটি ইউনিয়নে সংঘটিত কয়েকটি সংহিসতায় দায়েরকৃত পাঁচটি মামলা-পালটা মামলায় আসামিদের পুলিশ গ্রেফতার করতে শুরু করেছে। গত সোমবার রাতে সদর থানার পুলিশ এসব সন্ত্রাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িত উভয় পক্ষের ৯ আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে গত রবিবার আরো তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় সরকারি দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে এই সহিংস ঘটনা ঘটে।
সর্বশেষ পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের স্থগিত ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে শনিবার রাতে হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় সদর থানায় দুই পক্ষের পৃথক দুটি মামলা রুজু হয়। এ মামলায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান হানিফ খান ও তার সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগে তার স্ত্রী সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা বেগম উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বায়জিদ হোসেনকে প্রধান আসামি করে ৪২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অন্যদিকে ইউপি চেয়ারম্যান হানিফ খানকে প্রধান আসামি করে স্বতন্ত্র ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপজেলা সভাপতি সিহাব হোসেন ৫৪ জনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন। উভয় মামলায়ই বোমা হামলা, গুলি, গুরুতর জখমসহ সশস্ত্র হামলার অভিযোগ রয়েছে। ঈদের আগে শহরতলীর শিকারপুর এলাকায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতার বাড়ি ভাঙচুর, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের ওপর গুলি ও বোমা নিক্ষেপসহ কয়েকটি সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ সোমবার রাতে এ সব মামলায় গ্রেফতারকৃতরা হলো জাকির হোসেন লাবু, সোহান সরদার, হাসিবুর রহমান মিল্লাত, রুবেল শেখ, মিরাজ শেখ, আরাফত শেখ, পারভেজ মাঝি, রুস্তুম মাঝি ও সবুজ শেখ।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি আজম মাসুদুজ্জামান মঙ্গলবার পিরোজপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, অন্য সব আসামি গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
