সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এবার ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়েছে। নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে।
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের মুখপাত্র ফেবিয়েন ল্যাভি বলেন, ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের অপরাধ আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। যে তদন্ত চলছে তা আর দেওয়ানি তদন্তে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ও এই ফৌজদারি তদন্তের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে আইনি জটিলতার মুখে পড়তে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার পরিবারের সদস্যরা।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠান সম্পদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঋণ, আর্থিক বা কর-সুবিধা নিয়েছে কি না, তা জানতেই এ তদন্ত। সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রায় চার মাস আগে হোয়াইট হাউজ ছেড়েছেন। তিনি ক্ষমতা ছাড়ার পর থেকে একের পর এক তদন্ত শুরু হয়েছে তার বিরুদ্ধে। সর্বশেষ এই ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত শুরুর মধ্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে তিনটি তদন্ত চলমান রয়েছে।
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এ তদন্তের কথা জানানোর পর ট্রাম্প অর্গানাইজেশন কোনো মন্তব্য করেনি। তবে এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিশিয়া জেমস যে তদন্ত করছেন, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জেমস একজন ডেমোক্র্যাট। প্রসঙ্গত, ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার সময় ট্রাম্প তার সম্পদের মূল্য বেশি দেখিয়েছিলেন আর কর দেওয়ার সময় সেগুলোর মূল্য কম দেখিয়েছিলেন, এমন অভিযোগ নিয়ে ২০১৯-এর মার্চ থেকে দেওয়ানি তদন্ত শুরু করেছিলেন জেইমস।
নিউ ইয়র্কের এই তদন্তের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি সাইরাস ভ্যানস। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগের দুই বছরের বেশি সময়ে যেসব ব্যাবসায়িক চুক্তি করেছেন, তার তদন্ত করছেন সাইরাস ভ্যানস।
