রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘এডহক’ নিয়োগপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থলে যোগদান করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা উপমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বুধবার দুপুরে রাবি ছাত্রলীগের দলীয় টেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন নিয়োগপ্রাপ্তদের অন্যতম শিবিরের হামলায় পা হারানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন—রাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাত শতাধিক পদ দীর্ঘদিন যাবত্ শূন্য থাকায় তারা উক্ত পদে নিয়োগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট সিভি/জীবন বৃত্তান্ত জমা দেন। কিন্তু করোনার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় সদ্য সাবেক উপাচার্য গত ৫ মে ‘১৯৭৩ সালের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ এর ১২(৫) ধারায়’ অর্পিত ক্ষমতাবলে শূন্য পদের বিপরীতে ১৩৮ জনকে ‘এডহক’ নিয়োগ দেন। পরদিন ৬ মে তারা যোগদান করেন। কিন্তু ঐদিনই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সেই নিয়োগ ‘অবৈধ’ ও ‘বিধিবহির্ভূত’ আখ্যায়িত করে এবং এ ব্যাপারে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ইলিয়াছ হোসেন ও রায়হান মাসুদ, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ফারদীন প্রমুখ।
